সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৩

মিডডে মিলে ডিম-ভাত, সঙ্গে আলুর তরকারি, চেখে দেখলেন ডিএম

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: কপাল খুলে গেল পড়ুয়াদের। চুঁচুড়ার বাণীমন্দিরে মিড ডে মিল কাণ্ডের জেরে গোটা জেলাজুড়ে স্কুলে স্কুলে শুরু হয়ে গেল ভিজিট। পড়ুয়াদের পাশে বসে মিডডে মিল খেয়ে দেখলেন খোদ জেলাশাসক। অন্য আধিকারিকরাও ছড়িয়ে পড়লেন বিভিন্ন স্কুলে। ডাল-ভাত-ডিম দিয়ে দুপুরের খাওয়া সারলেন তাঁরাও।

বলাগড়ের অক্ষয় অম্বিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভিজিটে গিয়েছিলেন হুগলির জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও। বললেন, “বাচ্চাদের যে মানের খাবার দেওয়ার কথা, তা দেওয়া হচ্ছে কি না দেখতেই সারপ্রাইজ ভিজিটে এলাম।” দূর থেকে দেখা নয়, চেখেও দেখলেন। এ দিন এই স্কুলে মিডডে মিলের মেনুতে ছিল ভাত, আলুর তরকারি আর ডিম সেদ্ধ। কচিকাঁচাদের সঙ্গে বসেই সেই খাবার খেলেন তিনি।

একা ডিএম নন, এডিএম, এসডিও, বিডিওরাও এ দিন জেলার প্রায় তিনশো স্কুলে গিয়ে খাবারের গুণমান যাচাই করতে প্লেট নিয়ে বসে পড়েন কচিকাঁচাদের সঙ্গে।

এ দিকে প্রায় একমাস পরে আজ স্বাভাবিক মিডডে মিল পেল বাণীমন্দিরের ছোটরা। ভাতের সঙ্গে এ দিন আলু সয়াবিনের তরকারি দেওয়া হল তাদের। একরকম নুন ভাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিল এই স্কুলের পড়ুয়ারা। টিচার ইনচার্জ নিয়ে শিক্ষিকাদের সঙ্গে পরিচালন কমিটির সভাপতির দ্বন্দ্বে শিকেয় উঠেছিল স্কুলের মিডডে মিল ব্যবস্থা। সে খবর পেয়ে সোমবার লকেট চট্টোপাধ্যায় স্কুলে আসতেই শুরু হয় হইচই। দুই শিক্ষিকাকে সাসপেন্ড করে জেলা প্রশাসন। গতকালই মহকুমা শাসক স্কুলে এসে বৈঠকের পর জানান, খুব দ্রুত স্কুলে প্রধান শিক্ষিকা অথবা টিচার ইনচার্জ নিয়োগ করা হবে। মিডডে মিল স্বাভাবিক হবে বুধবার থেকেই। সেই মতোই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আজ স্কুলের পড়ুয়ারা ঠিকমতো মিডডে মিল পেয়েছে কি না দেখতে এসেছিলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা।

Comments are closed.