‘৫৮-র ইস্টার্ন রেল কি হতে পারবে পিয়ারলেস! স্বপ্নে বুঁদ ক্রোমারা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : গতবারও শুরুটা এমনটাই হয়েছিল। কিন্তু শেষদিকে গিয়ে খেই হারিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত রানার্স আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। কিন্তু এ বার আর সেটা হতে দিতে চান না ক্রোমারা। ইতিহাস তৈরির থেকে আর মাত্র এক কদম দূরে রয়েছে পিয়ারলেস। রবিবার জর্জ টেলিগ্রাফকে হারাতে পারলেই মোটামুটিভাবে লিগ চ্যাম্পিয়ন তারাই ( যদি না ইস্টবেঙ্গল বিরাট ব্যবধানে কাস্টমসকে হারায় )। আর তাহলেই ৬০ বছরের খরা কাটিয়ে তিন প্রধানের বাইরে কোনও দল কলকাতা লিগ জিতবে। শেষবার ১৯৫৮ সালে ইস্টার্ন রেল তিন প্রধানের বাইরে থেকে লিগ জিতেছিল।

    গত মরসুম থেকেই পিয়ারলেস দলটাকে ভালো করে তৈরি করেছেন কর্মকর্তারা। একাধিক বাঙালি ফুটবলার রয়েছে দলে। সেইসঙ্গে কার্যকরী বিদেশির অন্তর্ভুক্তিতে দলটা বেশ মজবুত হয়েছে। গত মরসুমে ভালো শুরু করেও মাঝপথে দল ছেড়ে দেন কোচ বিশ্বজিত ভট্টাচার্য। তারই ফল ভুগতে হয়েছিল। কিন্তু এ বার প্রথম থেকেই শক্ত হাতে দল পরিচালনা করছেন কোচ জহর দাস। স্প্যানিশ আলেজান্দ্রো মেনেন্ডেজ বা কিবু ভিকুনার চোখের সামনে দিয়ে লিগ জিতে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন এই বাঙালি কোচ।

    এ বারের পিয়ারলেস দলে এমন অনেকে রয়েছেন, যাঁরা ময়দানের পোড়খাওয়া ফুটবলার। পঙ্কজ মৌলা, জিতেন মুর্মু, ফুলচাঁদ হেমব্রম, দীপেন্দু দুয়ারি, অভিনব বাগ, অরূপ দেবনাথ, লক্ষ্মীকান্ত মান্ডিরা বহুদিন ধরে ফুটবল খেলছেন। সঙ্গে আনসুমানা ক্রোমার মতো ইস্ট-মোহন খেলে আসা বিদেশি, যিনি যে দলের হয়েই খেলুন না কেন নিজের ১০০ শতাংশ উজাড় করে দেন। ক্রোমার কাছেও বদলার ম্যাচ। ইতিমধ্যেই ১০ গোল করে তিনি লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা। এ দিনের ম্যাচে গোল করে দলকে লিগ দিতে পারলে সবুজ মেরুন ও লাল হলুদ কর্মকর্তাদের জবাব দিতে পারবেন তিনি।

    অবশ্য লড়াইটা সহজ হবে না পিয়ারলেসের। কারণ বিপক্ষে জর্জ টেলিগ্রাফের মতো দল। রঞ্জন ভট্টাচার্যের এই দলও এক সময় লিগের দৌড়ে ছিল। জাস্টিস মরগ্যানরাও সহজে ছেড়ে দেবেন না। ফলে বারাসাতের কৃত্রিম ঘাসে এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার আশা। সেই সঙ্গে দোসর রয়েছে বৃষ্টি। গত কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টিতে মাঠের কী অবস্থা তা সবাই দেখেছে। আজ একই সময়ে নিজেদের মাঠে কাস্টমসের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে লিগের অন্য দাবিদার ইস্টবেঙ্গল। যদি দুপুরে বৃষ্টি বাড়ে, তাহলে খেলায় তার প্রভাব পড়তে পারে। কারণ দুটো ম্যাচ একই সময়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেডারেশন। এই অবস্থায় আবহাওয়া এই দুই ম্যাচে কী প্রভাব ফেলে সেটাও দেখার।

     

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More