রবিবার, অক্টোবর ২০

‘দাস্তানগোই’ সুজয় প্রসাদের পনেরো বছর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংলাপই চান তিনি। দর্শকের মৌনতার সঙ্গে শিল্পীর মুখরতার সংলাপ। আর সেই সংলাপের অংশ হয়ে ওঠে কখনও বব ডিলানের গান। কখনও বা শ্রীজাতর কবিতা।
না, শুধু বাচিক শিল্পী বলা যাবে না তাঁকে। কারণ তাঁর শিল্প মাধ্যমে অনায়াসে মিলে যায় কবিতা, গান, আবহ, চিত্রকলার মতো বহু বিষয়। নিজেকে আন্তর্সাংস্কৃতিক শিল্পী বলে পরিচয় দেন সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। ইন্টারডিসিপ্লিনারি আর্টিস্ট।

শিল্পের পথকেই পাথেয় করে সুজয়ের এই পথ চলা এই বছরই ১৫তম বর্ষে পা দিল। বাচিক শিল্প, গান, অভিনয় – এই পনেরো বছরে সৃষ্টি করেছেন বহু মাইলস্টোন। বিখ্যাত লেখক জেফ্রি আর্চারের বই রিলিজ়ের অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন তিনি। তেমনই মগ্ন দর্শকদের অনেকেরই মনে আছে অপর্ণা সেনের সঙ্গে তাঁর কাব্যপাঠ।

আরও পড়ুন:মূল উদ্দেশ্য হল আমার শব্দ আর দর্শকের নৈঃশব্দের মধ্যে সেতুবন্ধন

বিবিসি থ্রি-র অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন সুজয়। তাঁর লেখা একক নাটক ‘হ্যাপি বার্থ ডে’ অভিনীত হয়েছে ক্যানাডার ক্যুইয়র থিয়েটারে। দক্ষিণ এশিয়ার ক্যুইয়র শিল্পের এক অনন্য সংলাপ হিসেবে।

বিদায় ব্যোমকেশের খল চরিত্রে, বা বেলাশেষের এস্রাজ বাদক – চলচ্চিত্রে সুজয়ের অভিনয়ও আপামর দর্শকের কুর্নিশ জিতে নিয়েছে।
আবার একই সঙ্গে তাঁর কাজের মধ্যেই লিঙ্গ, বৈষম্য কিংবা যৌনতা নিয়ে সমাজের গতে বাঁধা দৃষ্টিভঙ্গিমার বিরুদ্ধেও মুখর সুজয়। তাঁর কাজের মতোই অনন্য তাঁর স্টাইল স্টেটমেন্টও।

সুজয়ের শিল্পী জীবনের এই পনেরো বছরের যাত্রাকেই উদযাপন করতে এসপিসিক্রাফট এবং এক্সপেমার্ক কমিউনিকেশনস আয়োজন করছে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের। আগামী শনিবার আইসিসিআর-এর সত্যজিৎ রায় অডিটোরিয়ামে। এই অনুষ্ঠান যেন আন্তর্সাংস্কৃতিক শিল্পী হিসেবে সুজয়ের এই দীর্ঘ যাত্রার খণ্ড-মুহূর্তগুলোকে ধরে রাখার এক প্রয়াস।

Comments are closed.