বৃহস্পতিবার, মার্চ ২১

রেট্রো-ট্রেন্ডি যুগলবন্দি, সোনার সাজে আপনিই দীপাবলির ডিভা

সোহিনী চক্রবর্তী 

সোনার হাতে সোনার কাঁকন, কে কার অলঙ্কার।

না! সে দিন আর নেই। ভারী জমকালো শাড়ির সঙ্গে আরও ভারী সোনার গয়না– মা-ঠাকুমাদের সেই সাবেকি সাজ মোটেও পছন্দ নয় আজকের আধুনিকাদের। তাদের বরং পছন্দ লং-ফ্রক। ডিজ়াইনার কুর্তি। কিংবা ছিমছাম নকশার শাড়ির সঙ্গে ডিপ নেক, হল্টার ব্লাউজ। আর অলঙ্কারও তার সঙ্গেই মানানসই, হাল্কা।

কিন্তু তার পরেও কোথাও যেন থেকে যায় ট্র্যাডিশনের সেই পুরাতনী রেশ।

তাই ঠাকুমা কিংবা মায়ের সে দিনের সাবেকি গয়নাটায় এক বার হলেও হাত বুলিয়ে নেয় আজকের শর্টস-জিনসে অভ্যস্ত নিরলঙ্কার মেয়েটাও। স্পেশ্যাল মানুষটাকে হঠাৎ চমকে দিতে, কিংবা শ্বশুরবাড়ির হবু মানুষগুলোর সঙ্গে প্রথম দেখা করতে গেলে, সেই ট্র্যাডিশনের ছোঁয়া সে যেন আজও রাখতে চায় তার সাজসজ্জায়।

আরও পড়ুন: এ বার পুজোয় ‘এভারলাইট’, টাইট বাজেটে নিখুঁত হিরে

উৎসব, অনুষ্ঠান, জন্মদিন, অ্যানিভার্সারির মতো বিশেষ বিশেষ দিনে হাল ফ্যাশানের ট্রেন্ডি আনারকলি, লেহেঙ্গা কিংবা গর্জাস শাড়িটার সঙ্গে সে আজও পরতে চায় একটা চোখে পড়ার মতো ভারি গয়না। জমকালো, ভারী ওই গয়নাতেই সে দেখাতে চায় নিজেকে। দেখতে চায় সবার চমকে যাওয়া দৃষ্টি।

ঠিক যেমন করেছিল সুজিত সরকারের সিনেমার সেই তরুণী, পিকু। পেটখারাপের বাতিকগ্রস্ত বুড়ো বাবাকে সামলাতে সামলাতে ভীষণ মডার্ন, কন্টেম্পোরারি পিকুও কিন্তু হঠাৎ চমকে দেওয়া সাজের জন্য বেছে নিয়েছিল একজোড়া বিরাট কানবালা। পিকুর কানে সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এর সেই কানবালার দুলকি মোশানের তৈরি হয়েছিল ইমোশান।

আসল সমস্যা একটাই। সেই পুরনো দিনের ভারী গয়নায় যদি থাকত একটু আধুনিকতার ছাপ! ভারী হলেও, তবু আজকের স্লিম-ট্রিম-জিম জীবনের সঙ্গে মানানসই করে নেওয়া যেত তাকে! সেই গয়নায় ঐতিহ্যের অহংকার থাকুক, কিন্তু তার সঙ্গেই মিশে যাক আজকের রেবেল জীবন যাপন। কানের লম্বা ঝুমকো অথবা গলা ঢেকে থাকা চওড়া একটা হার। দেখতে ভারী, কিন্তু পরতে হালকা।

 

ট্র্যাডিশান এবং মডার্ন স্লিকনেসের এই বিরোধাভাসেরই উত্তর যেন সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এর ফিলিগ্রির সেটগুলো। সোনার হালকা তার। আর সেই তার পেঁচিয়ে পেঁচিয়েই তৈরি হয় কারুকাজ করা নানা রকমের ঢাউস গয়না। তাকেই ফিলিগ্রি বলে।

যা যেমন মানানসই হয় ব্যাকলেস গাউন বা চিরকালীন শাড়ির সঙ্গে, ঠিক তেমনই খাপে খাপ আজকের আধুনিক সাজের সঙ্গেও। ক্রপ টপ-শাড়ির যুগলবন্দীতে যেমন সঙ্গত করবে এই গয়না, তেমনি সুর কাটবে না ট্র্যাডিশনাল শাড়ির সঙ্গে পরলেও। কিনবেন নাকি একটা গলা জোড়া ফিলিগ্রির হার, যা একসঙ্গেই পরিচয় দেবে আপনার আধুনিক আউটলুকের, আবার ইঙ্গিত দেবে আপনার সাবেকি রুচিরও।

৬ গ্রাম ওজন থেকে শুরু সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এর এই ফিলিগ্রির কালেকশন। ফুরফুরে হালকা। ঠিক যেন হাওয়ায় ভাসার মতো। আবার পকেট ফ্রেন্ডলিও। মোটে কুড়ি হাজার থেকে শুরু। এক মাসের মাইনে থেকেই কিন্তু সহজেই কেনা যেতে পারে একটা ফিলিগ্রির হালকা জুয়েলারি। ফুরফুরে, পালকের মতো নিজের ইচ্ছেয় ভেসে বেড়ানো আজকের নারীর যোগ্য সাজ এই সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এর ফিলিগ্রি কালেকশন।

 

 

 

কিন্তু যদি আমার না পসন্দ হয় শুধু সোনার মনোটোনি বা লাউডনেস ?  আপনার হয়তো পছন্দ সোনার গয়নায় পার্লের পেলব টাচ? রূপকথার রাজকুমারীদের উজ্জ্বল ত্বক ছুঁয়ে থাকা মুক্তোর কমনীয়তা?

আজকের রাজকুমারীদের ইচ্ছে মেটাতে তা-ও নিয়ে এসেছেন সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস। শুধু সোনা নয়, তার সঙ্গে সাদা বা নীল মুক্তোর নয়নাভিরাম কমনীয়তা। শুধু সোনার গয়নার থেকে যার দাম অনেকটাই কম। আবার শুধু সোনার থেকে যার ক্লাস অনেক অনেক বেশি।

 

 

এই পার্ল আর সোনার হাত ধরাধরি ডিজাইনগুলোর ওজন শুরু ১০ গ্রাম থেকে। দাম? ফিলিগ্রির থেকে একটু বেশি। তবে নাগালের মধ্যেই। ৩৫ হাজার টাকা থেকে শুরু এই সম্ভার।

আর গয়নার ঐতিহ্যের কথাই যখন হচ্ছে, তখন ঝুমকোর কাছে কি কেউ আসতে পারে? না, এই ঝুমকো বরেলির বাজারে পড়ে যাওয়া ছোট্ট ঝুমকোর মতো নয়। বরং তা যেন বনেদি জমিদার বাড়ির ঝাড়লণ্ঠনের মতো। যার উপস্থিতিই বাতলে দেয় বৈভব আর রুচির কথা।

এই ঝুমকোগুলি এখনকার মেয়েদের মনের মতো। চিরায়ত, কিন্তু একঘেয়ে বা বোরিং নয়। মা-ঠাকুমার সেই সাবেক ঝুমকোর থেকে আজকের হালফ্যাশনকে আলাদা করতে সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এর জুয়েলারিতে তাই অন্য শেপের ছোঁয়া। কোনওটা ছক ভাঙা চৌকো, তো কোনওটা একদম যেন সেই সাবেক জমিদার বাড়ির ঝাড়বাতিরই আদল। পরলেই উজ্জ্বল,মনোমোহিনী হয়ে উঠবেন আপনি। আপনার পেলব ত্বক ঝলছে যাবে মুগ্ধ হয়ে তাকা অসংখ্য চোখের আলোয়।

পরবেন নাকি অমন একটা ঝুমকো, আপনার সেই মাটিতে গড়িয়ে যাওয়া গাউনটার সঙ্গে? ইউরোপিয়ান রূপকথার প্রিন্সেসদের মতো, আর আপনার সামনেই হাঁটু গেড়ে বসবেন উপস্থিত সব নাইটেরা? এই বাহারি ঝুমকোর ওজনও কিন্তু শুরু সেই ১০ গ্রাম থেকেই। দাম শুরু ৪০ হাজার টাকা থেকে।

 

নাকি এসব কিছুই পছন্দ নয় আপনার? আপনার পছন্দ শুধু পিকুর সেই কানবালা? কানবালার হরেক রকম অত্যাধুনিক ডিজাইনও কিন্তু নিয়ে এসেছে সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস। ওজন ১২ গ্রাম থেকে শুরু। দাম ৪২ হাজার টাকা শুরু।

হাতের বালা? হ্যাঁ সে-ও আছে। তার গায়েও সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এর আধুনিকতার ছোঁয়া। ১৫ গ্রাম ওজনের বালার দাম মোটে ৬৫ হাজার টাকা!

পুজো শেষ। আসছে বিয়ের মরসুমে। আর তার আগে ধনত্রয়োদশীর সোনা কেনার চিরায়ত মরসুম। আমাদের আধুনিকতার প্রতিদিনে সাবেক ঐতিহ্যকে ধরে থাকার বাৎসরিক অভ্যাস। এই সময়েই মনের সুপ্ত বাসনাগুলোকে মুক্তি দিতে চলে যাবেন নাকি কাছাকাছি কোনও সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এর শোরুমে?

দিওয়ালির আকাশে চাঁদ নাই বা থাকুক, আতসবাজির মাঝে না হয় আপনি নিজেই হয়ে উঠুন ঝলমলে এক নজরকাড়া চাঁদ! সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এর গয়নায়!

Shares

Comments are closed.