সিধু শান্তির দূত, বললেন ইমরান

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : সিধু শান্তির দূত। ভারতে যাঁরা তাঁর সমালোচনা করছেন, তাঁরা শান্তি চান না। পাকিস্তানের সেনাপ্রধানকে আলিঙ্গন করে ভারতে যখন তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন পঞ্জাবের মন্ত্রী নভজোৎ সিং সিধু, তখন ঠিক এভাবেই বন্ধুর পাশে দাঁড়ালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

    টুইটারে ইমরান লিখেছেন, আমার শপথে আসার জন্য সিধুকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি শান্তির দূত। পাকিস্তানের মানুষও তাঁর প্রতি অনেক ভালোবাসা দেখিয়েছেন। যাঁরা তাঁর সমালোচনা করছেন, তাঁরা উপমহাদেশে শান্তি স্থাপনে সহায়তা করছেন না। শান্তি ছাড়া মানুষের উন্নতি হবে না।

    এর পরে ইমরান তুলেছেন কাশ্মীর প্রসঙ্গ। তাঁর কথায়, ভারত ও পাকিস্তানকে আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মীর ও অন্যান্য বিরোধ মিটিয়ে নিতে হবে। এই উপমহাদেশে মানুষের দারিদ্র দূর করার একমাত্র উপায় হল আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মিটিয়ে নেওয়া এবং বাণিজ্য শুরু করা।

    গত শনিবার ইমরানের শপথের আগে সিধু পাকিস্তানের সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাওয়েজাকে আলিঙ্গন করেন। পরে তাঁকে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের প্রেসিডেন্টের পাশে বসে থাকতে দেখা যায় । এই নিয়ে ভারতে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন সিধু । বিজেপি তো বটেই, এমনকী পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি ক্যাপটেন অমরিন্দর সিংও বলেন, সিধু ঠিক কাজ করেননি ।

    সিধু তার জবাবে বলেন, আমি কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে পাকিস্তানে যাইনি । পুরানো বন্ধুর আমন্ত্রণে গিয়েছিলাম । প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথা তুলে তিনি বলেন, বাজপেয়ী তো শান্তির জন্য বাস নিয়ে লাহোর অবধি গিয়েছিলেন । মোদী আমন্ত্রণ ছাড়াই পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের জন্মদিনে গিয়েছিলেন। তখন তো তাঁদের দেশপ্রেম নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি।

    সিধুর সাফাইয়ের পরে তাঁর হয়ে মুখ খুলেছেন ইমরান । কিন্তু তাতেও বিতর্ক কতদূর থামবে, সন্দেহ আছে পর্যবেক্ষকদের ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More