কী ভাবে রেলরক্ষীরা বাঁচিয়ে দিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীকে, দেখুন ভিডিও

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পুরুলিয়া: এজন্যই বোধহয় প্রবাদটির জন্ম। এমন এমন পরিস্থিতির জন্যই বোধহয় প্রবাদ, ‘রাখে হরি মারে কে’? আরপিএফের দুই কর্মী না থাকলে সত্যি কি আর জীবনের দিকে মুখ ঘুরিয়ে দেখা হত ব্যাঙ্ক কর্মী চন্দন সিং এর ?

একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের কর্মী চন্দন শুক্রবার দুপুরে পুরুলিয়া স্টেশনে আসেন ট্রেন ধরতে। বাড়ি ফেরার জন্য। বাঁকুড়ার লালবাজারে বাড়ি চন্দনের। পুরুলিয়া-হাওড়া রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসে বাঁকুড়া যাওয়ার জন্য টিকিট কাটেন তিনি। ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেনটি আসার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে আসে ট্রেনটি। হুড়োহুড়ি করে ট্রেনে উঠতে যান তিনি। কিন্তু দরজা বন্ধ থাকায় কামরার ভেতরে ঢুকতে পারেননি চন্দন। চলন্ত ট্রেনে দরজার হাতল ধরে ঝুলছিলেন।

প্ল্যাটফর্ম ছা‌ড়ার মুখে তখন আস্তে আস্তে গতি বাড়ছে ট্রেনের। লাইনের উপর পড়ে যাওয়ার আগেই কোনও মতে বছর ৪০ এর চন্দনকে ধরে ফেলেন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা দুই কর্তব্যরত আরপিএফ কনস্টেবল রাজ কুমার ও মন্টু কুমার। ততক্ষণে ফের দাঁড়িয়ে গেছে ট্রেন। প্ল্যাটফর্ম থেকে চন্দনকে আরপিএফ অফিসে নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। বরাতজোরে বেঁচে গিয়ে আরপিএফের ওই দুই কর্মীকে তখন বারবার ধন্যবাদ জানাচ্ছেন চন্দন। বলছেন, ‘‘কী ভাবে কী হয়ে গেল বুঝতে পারছি না। ভাগ্যিস ওরা ছিলেন।’’

প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওই ব্যাঙ্ক কর্মীকে ফের তুলে দেওয়া হয় রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসেই। গত বছর একই ভাবে একজন রেল যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন আরপিএফ কর্মীরা। সেই ঘটনায় রেল কর্তৃপক্ষ পুরস্কৃতও করেছিলেন সেই কর্মীদের।

 

 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More