নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই শ্রাবণ সংক্রান্তির ঝাপান উৎসবে বিষধর সাপ নিয়ে খেলা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

মৃন্ময় পান, বাঁকুড়া:  ফি বছর শ্রাবনসংক্রান্তিতে মনসা পুজোর তিন দিন বিষধর সাপ নিয়ে নানা কসরত দেখান সাপুড়েরা। মনসা মঙ্গলের গান গাইতে গাইতে বিষধর সব সাপ নিয়ে এমন খেলা দেখতে ভিড় জমান এলাকার মানুষ। তিল ধারণের জায়গা থাকে না গ্রামের শিব মন্দির চত্বরে। নিষেধাজ্ঞা আছে প্রশাসনের। তবুও প্রথা মেনে বিষধর সাপ নিয়ে ঝাপান উৎসবে মাতলেন সিমলাপালের  দুবরাজপুর গ্রামের মানুষ।

প্রাচীন রীতি মেনে এ বছরও প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো ঝাপান উৎসবে যোগ দিলেন গ্রামের মানুষ। বিষধর সাপ নিয়ে এমন খেলা দেখানোয় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ঐতিহ্যবাহী প্রথা ছেড়ে বেরোতে চাইছেন না অনেকেই। আর তাঁদেরই উৎসাহে গ্রামের শিব মন্দির চত্বরে সাতটি বিষধর সাপ নিয়ে ঝাপানে অংশ নিলেন স্থানীয় সাপুড়েরা।

প্রশাসনের বারণ রয়েছে, তারপরেও কেন এমন প্রাণ নিয়ে খেলা ?

‘‘তিন মাস আগে থেকে ধরে রাখা এই সব সাপ তিন দিনের ঝাপান শেষে আমরা তো আবার ছেড়ে দিই। কোনও ক্ষতি তো করি না। এটা তো চলেই আসছে। তাই আমরাও চালিয়ে যাচ্ছি।’’ উত্তর সাপুড়েদের। তবে সরকারি এমন নিষেধ যে আছে তা তাঁদের জানা নেই বলেও অকপট তাঁরা।

সাপুড়েরা যাই বলুন, সব জেনেশুনেও এ বিষয়ে প্রশাসন নীরব বলেই অভিযোগ জঙ্গল মহলের বন্যপ্রাণ প্রিয় মানুষদের।

দুবরাজপুরের বিডিও রথীন্দ্রনাথ অধিকারীকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘এ ভাবে বিষধর সাপ নিয়ে খেলা দেখানো আইনত দণ্ডনীয়। ওখানে ঠিক কী ঘটছে খোঁজ নিয়ে দেখবো।’’

 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More