মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯

মন্ত্রী যাচ্ছিলেন বিয়েবাড়ি, পথে জঙ্গি বিস্ফোরণ! মন্ত্রী রক্ষা পেলেও, আহত দুই পুলিশকর্মী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন বাংলাদেশের মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তেজগাঁও থেকে ধানমন্ডির সীমান্ত স্কোয়ারে যাওয়ার সেই পথে, সায়েন্স ল্যাব মোড়ে মন্ত্রীর গাড়ি এবং তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের গাড়ি যানজটের মধ্যে পড়ে। গাড়ি সরিয়ে মন্ত্রীর যাওয়ার পথ খোলার জন্য তাঁর নিরাপত্তা দলের এক সদস্য দায়িত্বরত ট্র্যাফিক পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান। আর এই কথা বলার সময়েই ঘটে যায় বিস্ফোরণ! জখম হন তাঁরা!

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের সময়ে মন্ত্রীর গাড়ি ঘটনাস্থলের একেবারে কাছে ছিল। মন্ত্রীর রক্ষী, এএসআই শাহাবুদ্দিন এবং ট্র্যাফিক পুলিশের কনস্টেবল আমিনুলকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাস কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শাহাবুদ্দিনের দুই পায়ে স্প্লিন্টারের আঘাত লেগেছে। আর আমিনুল হাতে আঘাত পেয়েছেন।

শনিবার রাতের এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে আইএসআইএস জঙ্গি গোষ্ঠী।

এর আগেও গত ৩০ এপ্রিল গুলিস্তানে ট্র্যাফিক পুলিশকে লক্ষ্য করে হাতবোমা ছোড়া হয়েছিল। ২৬ মে ফের মালিবাগে পুলিশের বিশেষ শাখা কার্যালয়ের সামনে একটি পিকআপে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এই দুই ঘটনায় দায় স্বীকার করেও বিবৃতি দিয়েছিল আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

একটুর জন্য বেঁচে যাওয়ার পরে মন্ত্রী জানান, তেজগাঁওয়ের নিজের কার্যালয় থেকে তিনি সায়েন্স ল্যাব মোড় হয়ে সীমান্ত স্কোয়ারে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। সায়েন্স ল্যাব মোড়ে যানজট দেখে প্রোটোকলের দায়িত্বে থাকা এএসআই শাহাবুদ্দিন সেখানে ট্র্যাফিক পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে যান। তখনই বিস্ফোরণ ঘটে।

মন্ত্রী বলেন, “শাহাবুদ্দিন গাড়ি থেকে নেমে সামান্য হেঁটে গিয়েছিলেন। পুলিশ বক্সের ওখানে তখন আরও পাঁচ-সাত জন পুলিশ সদস্য ছিলেন। বিস্ফোরণের আওয়াজ পেলেও, সেটা যে বোমা, তা তখন বুঝতে পারেনি কেউ। ভেবেছিলাম কোনও গাড়ির চাকা ফেটে গেছে। তাই আমার এবং পুলিশের গাড়ি সীমান্ত স্কোয়ারের দিকে রওনাও হয়ে যায়। শাহাবুদ্দিন পেছনের গাড়িতে চলে আসবে বলে ভেবেছিলাম আমি। পরে পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে আমায় এই হামলার খবর জানানো হয়।”

Comments are closed.