পরীক্ষা হলের বাইরে পুলিশের বেধড়ক লাঠি, মৃত যুবক

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : শনিবার কর্নাটকের বিজাপুর জেলায় এসএসএলসি পরীক্ষা কেন্দ্রে বোনকে পৌঁছে দিতে এসেছিলেন সাগর চালাওয়াদি। পুলিশের সন্দেহ হয়েছিল, সাগর পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনও বেআইনি কাজ করার জন্য এসেছেন। সেজন্য ১৯ বছরের সাগরকে পুলিশ লাঠিপেটা করে। এরপরে সাগর হৃদরোগে আক্রান্ত হন। ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়।

সাগরের সঙ্গে ছিলেন তাঁর বন্ধু শিবাপ্পা। তিনি বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনও বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে তাঁরা যুক্ত ছিলেন না। তাঁর কথায়, “আমরা হোভিনা হিপ্পারাগি অঞ্চলে পরীক্ষাকেন্দ্রের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। এমন সময় এক পুলিশকর্মী আমাদের থামায়। সে জিজ্ঞাসা করে, আমরা কোথায় যাচ্ছি। আমাদের মোটর বাইকে সে লাঠির ঘা দেয়। আমি সেই পুলিশকর্মীকে বলি, সাগর অসুস্থ বোধ করছে। আমি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি। সে ফের বাইকে লাঠির ঘা দেয়। পরে সে সাগরের পিঠে লাঠি দিয়ে মারে।”

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পুলিশ সাগরকে তাড়া করেছিল। দৌড়নোর সময় সে মাটিতে পড়ে যায়। তখনই তার হার্ট অ্যাটাক হয়। সাগরকে হোভিনা হিপ্পারাগি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। স্বাস্থ্যকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বাসবন বাগেওয়াদি হাসপাতালে। সেখানে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

পুলিশের দাবি, সাগর পরীক্ষা হলে বেআইনি কার্যকলাপ করতে এসেছিল। তাই পুলিশ তাকে তাড়া করে। পালাতে গিয়ে সে পড়ে যায়।

এক পুলিশকর্মী বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, সাগরের হৃদযন্ত্র ছিল দুর্বল। তাকে কেউ মারেনি। ধরা পড়ার ভয়ে সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়।

সাগরের মৃত্যুর পরে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ সুপার অনুপম আগরওয়াল। সাগরের দেহটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

গত সপ্তাহেই তামিলনাড়ুর তুতিকোরিনে পুলিশি নৃশংসতার অভিযোগ ওঠে। পুলিশ হেপাজতে এক ব্যবসায়ী ও তাঁর ছেলে মারা যান।

তুতিকোরিন জেলায় মোবাইলের দোকান চালাতেন পি জয়রাজ ও তাঁর ছেলে পেন্নাস। তামিলনাড়ুতে লকডাউনের মধ্যে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়েই দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, জয়রাজ ও তাঁর ছেলে নির্ধারিত সময়ের পরেও দোকান খুলে রেখেছিলেন। গত শুক্রবার পুলিশ তাঁদের ধরে নিয়ে যায়। চারদিন বাদে হাসপাতালে বাবা, ছেলের মৃত্যু হয়। তাঁদের আত্মীয়রা অভিযোগ করেছেন, সান্তনকুলম থানায় পুলিশ বাবা, ছেলেকে প্রচণ্ড মারধর করেছিল। তাই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। আত্মীয়রা দু’জনের দেহে আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More