ভেবেছিল মড়া বাঘ, ছবি তুলতে যেতেই লাফ দিয়ে ঘাড়ে !

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, আলিপুরদুয়ার : গন্তব্য ছিল পাশের চা বাগান। ১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পার হয়ে সে দিকেই এগোচ্ছিল সে। ঢিমেতালা গতিতে। আচমকা তীব্র গতিতে আসা বীরপাড়াগামী একটি লরি ধাক্কা মারলে রাস্তার ধারের নালায় ছিটকে পড়ে চিতাবাঘটি।

    সকাল তখন প্রায় সাড়ে আটটা। ঘটনা দেখতে পেয়েছিলেন দলগাঁও বাগানের কয়েকজন চা শ্রমিক। তাঁরা ভেবেছিলেন মরেই গেছে বুঝি। উৎসুক হয়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন তাঁরা। খবর পেয়ে দলে দলে আসতে থাকেন বাগান বস্তির আরও লোকজন। চা বাগানের শাল লাইন এলাকায় নালার মধ্যে পড়ে থাকা চিতাবাঘটিকে ঘিরে তখন রীতিমতো ভিড়। শুরু হয়ে গেছে মোবাইল ক্যামেরায় ছবি তোলার পর্ব। সেলফিও বুঝি বা।

    আচমকাই এক মোক্ষম লাফ। সে যে বেঁচে আছে তা জানান দিতেই যেন ! চিতাবাঘের থাবা থেকে বাঁচতে তখন পড়িমড়ি করে ছুট আশেপাশে জমা হওয়া মানুষজনের। তারই মধ্যে একজনকে প্রায় কব্জা করে ফেলেছিল পূর্ণ বয়স্ক স্ত্রী চিতাবাঘটি। কিন্তু রীতিমতো জখম অবস্থা তার। তাই নিশানা হতে হতে কোনওরকমে বেঁচে যান দলগাঁও এর বাসিন্দা গোপাল চন্দ (৪৫)। তিনি দলগাঁও চা বাগানের গাড়ি চালক বলে জানা গেছে । ফিরে আবার নালার ধারেই শুয়ে পড়ে চিতাবাঘটি।

    ততক্ষণে কেটে গেছে প্রায় দু ঘণ্টা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দলগাঁও ও জলদাপাড়া ন্যাশানাল পার্কের থেকে বনকর্মীরা। তাঁরাই জাল ফেলে আহত চিতাবাঘটিকে তুলে নিয়ে যায় দক্ষিণ খয়েরবাড়ি ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রে।  কিন্তু বাঁচানো যায়নি চিতাবাঘটিকে। খয়েরবাড়ি ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রেই মৃত্যু হয় তার।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More