ব্রেন ডেথ হওয়া ১৮ বছরের ছেলের চোখ দিয়ে জল গড়াল মায়ের কান্না শুনে, বাড়ি ফিরল সুস্থ হয়ে

১২

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যম এসে মাথার কাছে দাঁড়ালেও, মায়ের কান্নার বাঁধন ছিঁড়ে জীবন ছেড়ে যেতে পারল না গন্ধম কিরণ।  ১৮ বছরেরে ছেলেটা প্রচণ্ড জ্বর আর বমি নিয়ে ২৬শে জুন ভর্তি হয়েছিল হাসপাতালে।  ক্রমশ তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে।  তাকে অন্য হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়।  এরপরই সে কোমায় চলে যায়, ডাক্তাররা জানিয়ে দেন আর কিছু সম্ভব নয়, ব্রেনডেথ হয়েছে তার! খাট কেনা থেকে, শেষকৃত্যের প্রস্তুতিও শুরু করে দেন বাড়ির লোকজন।  তারপরই ঘটে অবিশ্বাস্য সেই ঘটনা।

তেলেঙ্গানার সূর্যপেট জেলার পালামুড়ি গ্রামের সরকারি একটি হাসপাতালে গন্ধম কিরণকে ভর্তি করা হয়।  সেখানকার চিকিৎসকরা জানান তার শরীরে মারাত্মক ভাবে হেপাটাইটিস বাসা বেঁধেছে।  ২৬ শে জুন থেকে ২৮ শে জুন পর্যন্ত অবস্থা দেখে সেখানকার ডাক্তাররা গন্ধমের ব্যাপারে হতাশ হয়ে পড়েন এবং তাকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

২৮ শে জুন তাকে তার পরিবারের লোকজন হায়দরাবাদে একটি হাসপাতালে নিয়ে যান।  সেখানে তাকে ভর্তি করার পাঁচ দিনের মাথায় ৩রা জুলাই সে কোমায় চলে যায়।  ডাক্তাররা এরপরেই জানিয়ে দেন, গন্ধমের ব্রেন ডেথ হয়েছে।  পরিবারে স্বাভাবিকভাবেই শোকের ছায়া নেমে আসে।  তোড়জোড় চলে শেষকৃত্যের।

যে সময় তার খাট সাজানো হচ্ছিল।  সকলে ব্যস্ত শেষ কাজের প্রস্তুতিতে তখনই গন্ধমের মা সিদ্ধামা ছেলের মাথার কাছে বসে প্রচণ্ডভাবে কাঁদতে থাকেন।  সন্তান হারানোর পরে ডুকরে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন সিদ্ধামা।  সে সময় সকলকে অবাক করে দিয়ে দেখা যায় গন্ধমের চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে!

সঙ্গে সঙ্গে তাকে হায়দরাবাদের সেই হাসপাতালেই আবারও নিয়ে যাওয়া হয়।  ডাক্তাররাও অবাক হয়ে জানান, গন্ধমের পালস্ কাজ করছে।  তার দেহে প্রাণও রয়েছে।  এরপর চলতে থাকে চিকিৎসা।  ২৫ শে অগস্ট সিদ্ধামা নিজের সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন।  আপাতত ছেলের যাতে আর কোনও সমস্যা না হয়, সে দিকে নজর দিতেই ব্যস্ত এই মা।

হয় তো এভাবেই ফিরে আসা যায়! তাই বলে, রাখে হরি মারে কে…..

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More