সোনামতি কুম্ভরানির আরাধনায় মেতে উঠল সিঙ্গারদহ, আজ মহাষ্টমী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর : চারদিন বাপের বাড়িতে থেকে কৈলাসে ফিরে গিয়েছেন উমা। বাঙালির মনে বিষাদের সুর পুরোপুরি ফিকে হয়নি এখনও। সিঙ্গারদহ কিন্তু মেতে উঠেছে ঢাকের বোলে। পুজোর আনন্দে মাতোয়ারা গোটা গ্রাম।

    দুর্গাদশমীর আটদিন পর প্রথম যে মঙ্গলবার, সেই মঙ্গলবারেই করণদিঘির সিঙ্গারদহে শুরু হয় দুর্গা আরাধনা। মা সেখানে সোনামতি কুম্ভরানি। তবে রূপে তিনি মহিষাসুরমর্দিনী দশভুজাই। সঙ্গে নিয়ে আসেন লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশকেও। দুর্গাপুজোর মতই সপ্তমী থেকে দশমী দেবী পূজিতা হন এখানে।

    আশেপাশে মাগনাভিটা, মাটিয়ানি, মনিপাড়া, তেলেঙ্গাডাঙি, চুনামারি-সহ আরও নানা গ্রাম। গোটা রাজ্য যখন দুর্গাপুজোয় মেতে ওঠে, তখন পুজো হয় এই গ্রামগুলিতেও। ব্যতিক্রম সিঙ্গারদহ। সেখানে দুর্গারূপে হয় সোনামতি কুম্ভরানির আরাধনা। প্রথা মেনে দুর্গাদশমীর আট দিন পরে মঙ্গলবার বোধন হয়েছে দেবীর। আজ বৃহস্পতিবার চলছে মহাষ্টমীর পুজো। পুজো কমিটির সদস্য অক্ষয়কুমার সিংহ জানান, ঠিক কবে থেকে সিঙ্গারদহে কুম্ভরানির আরাধনা শুরু হয়েছে জানা যায় না। তবে প্রজন্মের পরে প্রজন্ম ধরে এ পুজো চলে আসছে, এমনটাই দেখে আসছেন তাঁরা।

    কথিত, দেবী নাকি খুবই জাগ্রত। ভক্তের কোনও প্রার্থনাই ফেরান না তিনি। তাই তিনি সিঙ্গারদহের দেবী হলেও আশেপাশের গ্রামের হাজার হাজার মানুষ পুজোর ক’দিন ভিড় জমান এখানে। পুজো উপলক্ষ্যে বসে মেলা। রীতিমতো উৎসবের আবহ। বেশ কয়েক বিঘা দেবত্র জমি রয়েছে গ্রামে। সেই জমির আয় আর গ্রামের মানুষের দানেই হয় চারদিনের দুর্গোৎসব। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, মূলত মায়ের আর্শীবাদেই তাদের গ্রাম শস্যশ্যামল। তাঁর আশীর্বাদেই কোনও বিপদ স্পর্শ করতে পারে না গ্রামবাসীদের। সোনামতি কুম্ভরানি এ ভাবেই আগলে রেখেছেন সিঙ্গারদহকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More