বুধবার, অক্টোবর ১৬

ঘুষ, আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি, চাকরি গেল ১৫ শুল্ক অফিসারের

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বিভিন্ন কোম্পানিকে কর ফাঁকি দিতে সাহায্য করেছেন। সেজন্য কোম্পানিগুলি ঘুষ দিয়েছিল তাঁদের। এই অভিযোগে মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রকের ১৫ অফিসারের চাকরি গেল। তাঁদের মধ্যে কাস্টমস ও সেন্ট্রাল এক্সাইজের কয়েকজন উচ্চপদস্থ আধিকারিক আছেন। এমনকী প্রিন্সিপাল কমিশনার স্তরের এক অফিসারও বরখাস্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

ছাঁটাই হওয়া অফিসারদের কয়েকজনকে আগেই সাসপেন্ড করা হয়েছিল। অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অফিসারদের বিরুদ্ধে ঘুষ খাওয়া ছাড়াও তোলাবাজি এবং আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আছে। যে প্রিন্সিপাল কমিশনার বরখাস্ত হয়েছেন, তাঁর নাম অনুপ শ্রীবাস্তব। ১৯৯৬ সালে সিবিআই অভিযোগ করেছিল, তিনি এক হাউস বিল্ডিং সোসাইটিকে বেআইনি সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিলেন। ওই সোসাইটি বেআইনিভাবে একখণ্ড জমি কেনার চেষ্টা করছিল। ২০১২ সালে সিবিআই তাঁর বিরুদ্ধে আর একটি মামলা করে। গোয়েন্দা সংস্থার অভিযোগ ছিল, তিনি এক আমদানীকারীর থেকে ঘুষ নিয়ে তাঁকে কর ফাঁকি দিতে সাহায্য করেছেন।

বরখাস্তদের মধ্যে আছেন কলকাতার কমিশনার সংসার চাঁদ। তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ আছে। চেন্নাইয়ের কমিশনার জি শ্রীহর্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন ২ কোটি ২৪ লক্ষ টাকার সম্পত্তি অর্জন করেছেন। এই দুই অফিসারকে সিবিআই ফাঁদ পেতে ধরেছিল। শ্রী হর্ষেরও চাকরি গিয়েছে।

কমিশনার পদের দুই অফিসার অতুল দীক্ষিত ও বিনয় ব্রজ সিং বেশ কিছুদিন সাসপেন্ড হয়েছিলেন। দীক্ষিতের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি অর্জন ও জালিয়াতির অভিযোগ আছে। দিল্লির কমিশনার অমরেশ জৈনের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার বে আইনি সম্পত্তি অর্জন করার অভিযোগ আছে। তিন জনই বরখাস্ত হয়েছেন।

গত সপ্তাহেই আয়কর দফতরের ১২ অফিসারকে বরখাস্ত করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, জালিয়াতি ও পেশাগত অসাধুতার অভিযোগ ছিল। এছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে উচপদস্থ আরও চার অফিসারের ডিমোশন হয়।

Comments are closed.