শনিবার, মে ২৫

জঙ্গলমহলের এক রানি ও এক গদ্দারের গল্প শোনালেন পার্থ

বুদ্ধদেব বেরা, পশ্চিম মেদিনীপুর : এক রানি ছিলেন। আর ছিলেন এক গদ্দার। দুজনেরই আনাগোনা ছিল জঙ্গলমহলে। এভাবেই গল্পটা শুরু করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বিরবাহা সরেনের সমর্থনে প্রচার করতে এসে। গল্প শেষ হতেই বাস্তবের সঙ্গে মিল খুঁজতে শুরু করলেন জঙ্গলমহলের মানুষ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জামবনির টুলিবরে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী বিরবাহার হয়ে প্রচারসভা করেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেখানেই তিনি বলেন, “জঙ্গলমহলে এক রানী ও এক গদ্দার ছিল। এই রানী ও গদ্দার মিলে জঙ্গলমহলকে শেষ করবার চেষ্টা করেছিল। সেটা বুঝতে পেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যবস্থা নিয়েছেন। এখন সেই রানি হয়ে গিয়েছেন নেত্রী। গদ্দারেরও অন্য পোষাক। নেতৃত্ব তো নেই এখন, চাটুকারবৃত্তি করছে।”

এরপরেই পার্থর মন্তব্য, “দিদির দলে দু’একটা অন্যরকম ডাকাত থাকলে তাদেরও দেখতে হবে। তাঁদের জন্য দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করলে চলবে না। তাঁরা বিজেপিতে গিয়ে নতুন ডাকাত হলে হোক। জেলের ব্যবস্থা রয়েছে।”

এ বারের প্রার্থী বিরবাহা সরেনের (টুডু) প্রচারসভায় ঝাড়গ্রামের বিদায়ী সাংসদ উমা সরেনকেও নিয়ে এসেছিলেন পার্থ। ভোট ভিক্ষে করে তিনি বলেন, “বীরবাহাকে প্রার্থী করেছি। তিনি শিক্ষিকা। গতবারের প্রার্থী ছিলেন ডাক্তার। আমরা সবার সঙ্গে কথা বলেছি। জঙ্গলমহলের মাটির সাথে যুক্ত মানষের সঙ্গে কথা বলেছি। তারপর বীরবাহাকে মমতা বলেছেন, যাও আমি তোমার সেনাপতি।”

বক্তব্যের আগাগোড়াই বিজেপিকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, “যাঁরা দেশ সামলাতে পারে না, তাঁরা আবার রাজ্য সামলাতে এসেছে। কে দেবে দায়িত্ব। মমতার মতো ১৮ ঘণ্টা কাজ করতে পারবে?” জঙ্গলমহলে উন্নয়নের লিস্টওও তুলে ধরেন তিনি।

বক্তব্য লম্বা ছিল বেশ অনেকটাই। তবে তখন মন্ত্রীর গল্পের সূত্র ধরে রানি ও গদ্দারের খোঁজ শুরু হয়ে গেছে মানুষের মনে মনে। খুঁজে বেরও করে ফেলেন অনেকেই।

Shares

Comments are closed.