বিজেপি কর্মীদের বাস থেকে টেনে নামিয়ে মারধরের নালিশ নানুরে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম : বুধবারের ঘটনার পর আজও দিনভর তেতে রইল নানুর। বৃহস্পতিবার সকালে নানুর রুটের বিভিন্ন বাস থামিয়ে বেছে বেছে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের নামিয়ে তাঁদের মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তবে তৃণমূলের পক্ষে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

    গতকাল বিজেপি নেতা সাকবাহার মণ্ডলকে বিনা প্ররোচনায় গ্রেফতারের অভিযোগ তুলে বিজেপি কর্মীরা পথ অবরোধ শুরু করে। অবরোধ তুলতে গিয়ে আক্রান্ত হয় পুলিশ। মাথা ফেটে যায় নানুর থানার ওসির। সেই ঘটনার জেরে সংঘর্ষে জড়ায় এলাকার তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা। শুরু হয় ব্যাপক বোমাবাজি। পুড়িয়ে দেওয়া হয় বিজেপির পার্টি অফিস।

    পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বোলপুর) তন্ময় সরকার এবং এসডিপিও (বোলপুর) অভিষেক রায়ের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। কালকের ঘটনায় তিন মহিলাসহ ৬ জনকে আটক করা হয়।

    আজ আবার নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। নানুর রুটের বিভিন্ন বাস থামিয়ে তাদের কর্মীদের নামিয়ে মারধর করা হয় বলে বিজেপির অভিযোগ। বেশ কয়েকটি চারচাকার গাড়িতেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছে তারা। তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

    বিজেপির জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় বলেন, “প্রশাসন কোনও সহযোগিতা করছে না। তাই এই অবস্থা। না হলে আমাদের দলের কর্মী সমর্থকদের মারধর করার জন্য আজ নানুর রুটের বাসগুলিতে তল্লাশি চালাচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মীকে প্রচণ্ড মারধর করা হয়েছে। পুলিশকে জানিয়েও কোনও ফল মেলেনি।”

    তবে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য বলেন, “গতকাল বিজেপির গণ্ডগোল তো হয়েছে পুলিশের সঙ্গে। একমধ্যে তৃণমূল কোথা থেকে এল? বাস থেকে নামিয়ে বিজেপির কর্মীদের মারধরের যে অভিযোগ ওরা আমাদের বিরুদ্ধে এনেছে তা একেবারে মিথ্যে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More