শুক্রবার, জুলাই ১৯

গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীকে গুলি করে ও বোমা মেরে খুন

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মুর্শিদাবাদ: প্রকাশ্য দিবালোকে হরিহরপাড়ায় খুন হলেন এক তৃণমূল নেতা। তাঁর স্ত্রী স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বলে জানা গেছে। বোমা মেরে ও গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে। নিহত নেতার নাম সফিউল হাসান (৪৫)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে হরিহরপাড়া থানার প্রদীপডাঙা মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। ওই তৃণমূল নেতার বাড়ি হরিহরপাড়া থানারই লালনগরে। দুপুরে বাড়ি থেকে নিজের গাড়ি নিয়ে হরিহরপাড়া যাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, প্রদীপডাঙা মোড়ে প্রায় ৭-৮ জন দুষ্কৃতী একটি মারুতি ভ্যানে করে এসে তাঁর পথ আটকায়। ওই দুষ্কৃতীরাই তৃণমূল নেতাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে প্রথমে বোমা মারে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সফিউল হাসানের। সফিউলের স্ত্রী আরদোসা বিবি, হরিহরপাড়া থানার হুমাইপুর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় বিশাল পুলিশবাহিনী। হত নেতার দেহ উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে পাঠায়। অভিযোগ, সেখান থেকে জোর করে তাঁর দেহ হরিহরপাড়ায় ফিরিয়ে আনেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। হরিহরপাড়া বাসস্ট্যান্ডে মরদেহ নিয়ে শুরু হয় পথ অবরোধ।  এলাকায় এখনও ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তৃণমূলের অভিযোগ, কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই খুন করেছে।  তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে কংগ্রেস। তৃণমূলের জেলাপরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সামসুজ্জোহা বিশ্বাস বলেন, “কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই খুনের সঙ্গে জড়িত। তারাই পরিকল্পনা করে খুন করেছে এই জনপ্রিয় নেতাকে।”

তবে কংগ্রেসের হরিহরপাড়া ব্লকের সভাপতি মীর আলমগীর পলাশ বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে মিথ্যে কংগ্রেসের নাম জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরাও এই ঘটনার ধিক্কার জানাচ্ছি। আমরাও চাই পুলিশ তদন্ত করে আসল খুনিদের গ্রেফতার করুক।”

Comments are closed.