বুধবার, মার্চ ২০

চোরা পথে ময়ূরের ডিম পাচার, চক্রকে ধরল টাস্কফোর্স

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোপনে পাচার কাজ চলছিল দীর্ঘদিন ধরেই। শেষে প্রমাণসমেত পাচারকারীদের পাকড়াও করলেন টাস্কফোর্সের কর্মীরা। তাদের থেকে উদ্ধার হল দু’টি ময়ূর এবং বেশ কিছু ময়ূরের ডিম।

সূত্রের খবর, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় ছিল পাচারচক্র। একদলের কাজ ছিল নানা জঙ্গল থেকে ময়ূরের ডিম কুড়িয়ে এনে সেটা বিক্রি করা। এক একটি ডিমের দাম ৫০০ টাকাতেও বেচা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টাস্কফোর্সের প্রধান সঞ্জয় দত্ত। অন্যদলের কাজ ছিল, কিছু ডিম ফুটিয়ে ময়ূরের ছানা বাইরে পাচার করা।

টাস্কফোর্সের শীর্ষ কর্তা সঞ্জয়বাবু জানিয়েছেন, পাচারের কাজ গোপন রাখার জন্য এক অভিনব ফন্দি এঁটেছিল পাচারকারীরা। ময়ূরের ডিম সংগ্রহ করে আনার পর সেই ডিম মুরগিকে দিয়ে তা দেওয়ানো হতো। যাতে বাইরে থেকে দেখলে সেগুলো মুরগির ডিম বলেই মনে হয়। সাত থেকে দশ হাজার টাকায় ময়ূরের ছানা বাইরে বিক্রি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উত্তরবঙ্গে এমন একটি চক্র কাজ করছে তার আভাস ছিল পুলিশের কাছে। সেই মতো নানা এলাকায় অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল টাস্কফোর্সকে। সঞ্জয়বাবু জানিয়েছেন, শিলিগুড়ি কর্পোরেশনের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এমন ময়ূরের ডিম উদ্ধার হয়েছে। যদিও অপরাধ স্বীকার করেননি বাড়ির মালিক পরিতোষ মণ্ডল। তবে তাঁকে সাত দিনের নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে টাস্কফোর্স সূত্রে খবর।

ধরপাকড় সত্ত্বেও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এই রকম পাচারকারীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে বলে জানিয়েছেন সঞ্জয়বাবু। তাঁর কথায়, “সীমিত বনকর্মী নিয়ে জঙ্গলের বিস্তীর্ণ এলাকায় নজরদারি চালানো সম্ভব হয় না। তারই সুযোগ নেয় একদল অসাধু ব্যবসায়ী। অত্যন্ত কম দামে এই ডিমগুলি কিনে এনে মুরগির তা দিয়ে চড়া দামে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এটা অপরাধ।”

 

Shares

Comments are closed.