পাকিস্তান থেকে ভারতে আসা হিন্দু শরণার্থী পরিবারের ১১ সদস্যের রহস্য মৃত্যু রাজস্থানে

ওই পরিবারের একজন জীবিত রয়েছেন। দেচু এলাকার লোড়টা গ্রামে বাড়ির কাছেই সেই ব্যক্তির খোঁজ মেলে। সেখানেই বাস ওই পরিবারের। কিন্তু সেই ব্যক্তি পরিবারের বাকি ১১ জনের মৃত্যুর বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একই পরিবারের ১১ সদস্যের রহস্য মৃত্যু। রবিবার সকালে রাজস্থানের যোধপুর জেলায় একটি ফার্মে ১১ জনের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, এই হিন্দু পরিবারটি পাকিস্তান থেকে ভারত আসে। এই শরণার্থী পরিবারের সকলের একই সঙ্গে কী করে এবং কেন মৃত্যু হল তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তদন্ত শুরু করেছে রাজস্থান পুলিশ।

আরও পড়ুন

‘জয় শ্রীরাম’ না বলায় সপাটে চড়, প্রৌঢ় অটো চালককে বেধড়ক মার রাজস্থানে

তবে ‌ওই পরিবারের একজন জীবিত রয়েছেন। দেচু এলাকার লোড়টা গ্রামে বাড়ির কাছেই সেই ব্যক্তির খোঁজ মেলে। সেখানেই বাস ওই পরিবারের। কিন্তু সেই ব্যক্তি পরিবারের বাকি ১১ জনের মৃত্যুর বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ সুপার রাহুল ভারত এমনটাই বলেনসংবাদমাধ্যমকে। তিনি বলেন, “আমরা এখনও জানতে পারিনি কী ভাবে এত জনের একসঙ্গে মৃত্যু হল। তবে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে এক সঙ্গে সবাই মিলে কোনও রাসায়নিক খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন ওই ফার্মে।”

ওই পরিবার যে কুঁড়ে ঘরে বাস, তার আশপাশে রাসায়নিকের গন্ধ পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্তা রাহুল ভারত। জানা গিয়েছে, ওই পরিবারের আগে বাস ছিল পাকিস্তানে। ভিল সম্প্রদায়ের ওই পরিবার ভারতে এসে ওই ফার্মটি ভাড়া নেন চাষাবাদ করার জন্য। সেখানেই একটি ঘরে তাঁরা থাকতেন।

রাজস্থান পুলিশ আরও জানিয়েছে, মৃতদের কারও শরীরেই কোনও ক্ষত দেখা যায়নি। তবে সব ক’টি দেহই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ফরেসন্সিক বিশেষজ্ঞরাও মৃত্যুর কারণ খুঁজছেন। যেই ফার্ম থেকে মৃতদের উদ্ধার করা হয়েছে সেখানে পুলিশ কুকুর এনেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে তেমন কিছু নজরে পরেনি পুলিশের। এটা কোনও পারিবারিক গোলমালের জের হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্যকে জেরা করে কারণ খোঁজার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More