গুটি গুটি ধেয়ে আসছে কাঠবিড়ালি ছানা, আতঙ্কে পুলিশে খবর দিলেন যুবক..তারপর

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই কাঠবিড়ালি পেয়ারা খায় কি না জানা নেই, তবে এই কাঠবিড়ালি তাড়া করে। তবে কাঠবিড়ালি না বলে শিশু কাঠবিড়ালি বলাই ভাল, কারণ সদ্য়ই জন্মেছে সে।

    দু’দিন আগের ঘটনা। আনমনে পথ চলছিলেন এক যুবক। বুঝতেই পারেননি কখন পিছু নিয়েছে একটি ছোট্ট প্রাণি। খেয়াল হতে পিছনে ফিরে তো অবাক! পিছন পিছন গুটি গুটি পায়ে আসছে একটি ছোট্ট কাঠবিড়ালির ছানা। একদমই কচি, সদ্যই জন্মেছে। হয়তো বা কিছু দিন হয়েছে। যুবকের প্রতি এত টান কেন বোঝা যায়নি তবে তাঁকে ছাড়তে ছানাটি নারাজ।

    যতই পিছু ছাড়ানোর চেষ্টা করেন যুবক ততই পিছু নেয় ছানা। আগে যুবক পিছনে ছানা, কখনও বা কায়দা করে একটু আগে-পিছে গিয়ে দিব্যি তাকে অনুসরণ করে চলেছে। কিছুতেই পিছু ছাড়েনা, ছাড়ার কোনও ইচ্ছা আছে বলেও মনে হয় না। কতক্ষণ এই আগু-পিছু লুকোচুরি চলেছিল জানা নেই তবে একসময় বেশ বিরক্ত হয়েই পুলিশে খবর দেন যুবক।

    ঘটনাটা জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমে কার্লস্রু শহরের। যুবকের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে তড়িঘড়ি পৌঁছে তো অফিসারেরা অবাক। কোথায় সেই অনুসরণকারী? যুবকই দেখিয়ে দেন সেই অনামী ‘হানাদার’কে। কাঠবিড়ালি ছানা দেখে ততক্ষণে হেসে গড়িয়ে পড়েছেন অফিসারেরা।

    শেষমেশ পুলিশি তৎপরতায় কাঠবিড়ালি ছানার থেকে রক্ষা পেলেন যুবক। পাকড়াও করা হল ছানাটিকে। পুলিশ অফিসার ক্রিস্টিনা ক্রেঞ্জ পরম যত্নে তাকে কোলে তুলে নেন। দীর্ঘ পথ অনুসরণ করে এসে ছানাটিও খুব ক্লান্ত। পুলিশের হাতেই ঘুমিয়ে পড়ে সে।

    ক্রিস্টিনা জানিয়েছেন, কাঠবিড়ালি শিশুটি জন্মের পরেই মাকে হারিয়েছে। তাই যুবককেই হয়তো বা সে তার অভিভাবক ঠাওরেছে। অথবা, নতুন কোনও ঠিকানা খুঁজছিল সে। তাই পিছু নিয়েছিল যুবকের।

    ছানাটি আপাতত পুলিশের হেফাজতেই। তাকে খাইয়ে-দাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছেন অফিসারেরা। মার্কসবাদের প্রবক্তা কার্ল মার্কস এবং ফ্রেডরিক অ্যাঙ্গেলসের নামে তার নতুন নামকরণ হয়েছে কার্ল-ফ্রেডরিক। কার্লস্রু পুলিশের অফিসিয়াল টুইটার পেজে সে ছবিও পোস্ট করা হয়েছে এবং সেটা ইতিমধ্যেই ভাইরাল। পুলিশ জানিয়েছে, ছানাটিকে তাড়াতাড়ি কোনও পশু উদ্ধার কেন্দ্রের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More