রবিবার, জুন ১৬

কাঁদায় কেন কাঁদানে গ্যাস, জেনে নিন টিয়ার গ্যাস সম্পর্কে ১০ অজানা কথা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপির লালবাজার অভিযান ভেস্তে দিতে বুধবার কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটাল পুলিশ। শুধু বিজেপি নেতা, কর্মীরাই নন, চোখের জলে ভাসতে হল সাংবাদিক থেকে সাধারণ মানুষকে। কিন্তু কী এই কাঁদানে গ্যাস। জেনে নিন কিছু তথ্য–

১। কাঁদানে গ্যাস বা টিয়ার গ্যাস কোনও মৌলিক গ্যাস নয়। কয়েক ধরনের রাসায়নিক যৌগের মিলিত রূপ।

২। যেটুকু জানা যায়, এর মধ্যে থাকে ওসি, সিএস, সিআর, সিএন বা ফিনাসিল ক্লোরাইড, ননিভ্যামাইড, ব্রোমোয়াসিটন, জাইলিল ব্রোমিড, পেঁয়াজ থেকে সংগৃহীত সাইন-প্রোপ্যানেথিয়াল-এস-অক্সাইড।

৩। এটি সাধারণত কোনও বিক্ষোভ প্রতিহত করতে পুলিশ ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু বিক্ষোভকারীরাও যাতে এই ধরনের গ্যাস ব্যবহার না করে তাই এর উপকরণ যতটা সম্ভব গোপন রাখা হয়।

৪। কাঁদানে গ্যাসের প্রভাবে মানুষের চোখের কর্নিয়ার স্নায়ু আক্রান্ত হয়। এর ফলে অঝোর ধারায় কান্না, ব্যথা, এমনকি অন্ধ হয়ে যাবারও সমূহ সম্ভাবনা থাকে।

৫। তবে এটি কোন গ্যাস নয়। মিহি গুড়ো পাউডার কিংবা তরলের অতি ক্ষুদ্রকণার সমষ্টি নিয়ে এই গ্যাস তৈরি হয়।

৬। এই গুড়োর মধ্যে ক্ষারজাতীয় রাসায়নিক পদার্থ থাকে। যার প্রভাবে চোখ প্রচণ্ড জ্বালা করে।

৭। কাঁদানে গ্যাসের প্রভাবে সর্বোচ্চ অনেক সময়ে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত চোখ দিয়ে জল পড়তে থাকে।

৮। কখনও কখনও সাময়িক অন্ধত্বের পর্যায়ে পৌঁছে যায়।

৯। শুধু চোখে নয়, কাঁদানে গ্যাস চামড়ায় লাগলেও জ্বালা করে।

৯। চিকিৎসকরা বলেন, জলই এর থেকে বাঁচার সব থেকে ভালো উপায়। চোখে জল দিলে তাড়াতাড়ি জ্বালা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে সবার আগে গ্যাস প্রভাবিত এলাকা থেকে দূরে যাওয়া উচিত।

Comments are closed.