ফের রাজ্যে জ্বরে মৃত্যু, শংসাপত্রে ডেঙ্গি শক সিনড্রোমের উল্লেখ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : রাজ্যে ফের ডেঙ্গির বলি হলেন তিনজন। এঁদের মধ্যে একজনের বাড়ি কলকাতায়। অন্যজন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা। মারা গেছেন আসানসোলের এক বাসিন্দাও।

রবিবার দুপুরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান সুরজিৎ সামন্ত (৩৭)। বেশ কিছুদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন বিষ্ণুপুরের কন্যানগরের বাসিন্দা সুরজিৎ। কলকাতার ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু উত্তরোত্তর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল বলে জানা গেছে। রবিবার বেলা সওয়া একটা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। পেশায় ফিজিওথেরাপিস্ট সুরজিতের মৃত্যুর শংসাপত্রে ডেঙ্গি শক সিনড্রোমের উল্লেখ রয়েছে।

একই দিনে বরাহনগরের একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় রোহিত কুমার (২৫) নামে কলকাতার বাসিন্দা এক যুবকের। জ্বর হওয়ায় নভেম্বর মাসের ২৮ তারিখ রোহিতকে মধ্য কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন তাঁর আত্মীয়রা। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে বেশ কয়েকদিন ভর্তি ছিলেন তিনি। কিন্তু শারীরিক অবস্থা অপরির্তিত থাকে।

দু’দিন আগে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বরাহনগরের ওই হাসপাতালে। সেখানেই রবিবার বিকেলে মারা যান হাতিবাগানের নবকৃষ্ণ স্ট্রিটের বাসিন্দা রোহিত। তাঁর মৃত্যুর শংসাপত্রে ডেঙ্গি শক সিনড্রমের উল্লেখ রয়েছে। এ দিকে চিকিৎসায় গাফিলতির জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে, রোহিতের পরিবার।

রোহিতের বাবা সন্তোষ সিংয়ের আরও অভিযোগ, এলাকায় প্রচণ্ড মশার দাপট থাকলেও পুরসভা নির্বিকার। এলাকা ঠিক মতো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হয় না। একমাত্র রবিবার কিছু কিছু জায়গায় মশা মারার তেল বা ব্লিচিং পাউডার ছড়ানো হয়। যদিও এই সমস্তই অস্বীকার করেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর।

আসানসোলের ওল্ড স্টেশন রোডের বাসিন্দা রাজেন্দ্র সিং (৫৬) জ্বর নিয়ে ভর্তি ছিলেন দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই রবিবার বিকেলে মারা যান তিনি। তাঁর মৃত্যুর শংসাপত্রেও ডেঙ্গি শক সিনড্রোমের কথা উল্লেখ করেছেন ডাক্তাররা।

জ্বরে মৃত্যু হয়েছে এবং শংসাপত্রে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গি শক সিনড্রোমের উল্লেখ রয়েছে, এই মুহূর্তে এই সংখ্যাটা কিন্তু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১। তবে গত সপ্তাহেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় ডেঙ্গি নিয়ে এক আলোচনায় জানান, রাজ্যে ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা ২৭। সরকারি যে ডেঙ্গির পরিসংখ্যান সেখানে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৬ হাজার। তারপর আর কোনও পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More