শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১

ভাগ্যিস মিডিয়া দেখল, তাই সাফসুতরো হয়ে মালা পেলেন রবি ঠাকুর

দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম:  শান্তিনিকেতনের বাঁধনে গোটা বীরভূম জড়িয়ে রয়েছে তাঁর নামের সঙ্গে। এ গর্ব গোটা জেলার। সেই সেখানেই খোদ জেলা পরিষদে আজ মৃত্যুদিনে উপেক্ষিত ছিলেন কবি। যতক্ষণ না মিডিয়া মনে করিয়ে দিল, ততক্ষণ জেলা পরিষদে ধুলোর আস্তরণে মোড়া রইল কবির মূর্তি। পরে অবশ্য তড়িঘড়ি সে আস্তরণ সরিয়ে মালা পরানো হল তাঁকে।

বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরীর ঘরের পাশেই রয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তি। আজ ২২শে শ্রাবণ সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও, মালা তো দূরঅস্ত, ধুলোই মোছা হয়নি। বেলা আড়াইটে নাগাদ জেলাপরিষদে খবর সংগ্রহে যাওয়া সংবাদকর্মীদের নজরে আসে তা। সভাধিপতি অবশ্য তখন অফিসে ছিলেন না। কিন্তু বিষয়টার গুরুত্ব বুঝে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয় কর্মীদের।

তাড়াতাড়ি কাপড় এনে মোছা হয় ধুলো। আসে ফুল, মালা, ধূপ-ধুনো। রবীন্দ্রনাথের মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, এডিএম (জেলাপরিষদ) দীপ্তেন্দু বেরা। মালা দেন অন্য কর্মী আধিকারিকরাও।

পরে ভুল স্বীকার করে নিয়ে দীপ্তেন্দুবাবু বলেন, “এটা সত্যিই আমাদের ভুল হয়েছে, ভবিষ্যতে যাতে আর কোনওদিন এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় সে দিকে নজর রাখব।”

বিশ্বভারতীতে অবশ্য এ দিন সকাল থেকে যথোচিত মর্যাদায় পালন করা হয়েছে কবির মৃত্যুদিন। ভোরে বৈতালিক ও পরে উপাসনা গৃহে স্ত্রোত্রপাঠ, মন্ত্র পাঠ ও সঙ্গীত ভবনের পড়ুয়াদের গানের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হয় তাঁকে। বিকেলে হয় বৃক্ষরোপণ।

Comments are closed.