শুক্রবার, নভেম্বর ১৬

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের পাঁচটি মোক্ষম টোটকা, ওয়ার্ল্ড ডায়াবেটিস ডে-র আগে চোখ বুলিয়ে নিন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর মাত্র তিন দিন পরই ওয়ার্ল্ড ডায়াবেটিস ডে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের যাবতীয় সতর্কবাণী, বিধি নিষেধ, কর্মশালাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই দুরন্ত গতিতে ছুটে চলেছে এই রোগ। ডায়াবেটিসের হাত ধরেই ডালপালা মেলছে আরও নানা রকম শারীরিক ব্যধি।

টাইপ টু ডায়াবিটিসে ভুগছেন প্রায় ৭ কোটি ভারতবাসী। মেয়েদের মধ্যে ডায়াবিটিসের প্রবণতা ভয়ানক ভাবে বাড়ছে। বিশ্বের প্রায় ২০ কোটি মহিলার রক্তে শর্করার আধিক্য। ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী মহিলাদের মধ্যে টাইপ–টু ডায়াবিটিস বাড়ার সূত্রপাত বয়ঃসন্ধিতেই। এক দিকে সেডেন্টারি লাইফে অভ্যস্ত, অন্য দিকে হাই ক্যালোরি ডায়েট, এই দুইয়ের মিলিত ফল বাড়তি ওজন। ওবেসিটির কারণে দেখা দিচ্ছে পিরিয়ডে সমস্যা, বাড়ছে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের (পিসিও) প্রবণতা।আর এটা অনেকেরই জানা যে পলিসিস্টিক ওভারির কারণে টাইপ-টু ডায়াবিটিসের ঝুঁকি ভয়ানক বেড়ে যায়।

ডায়াবেটিস থেকে দেখা দিচ্ছে আরও নানা রকম উপসর্গ-

গবেষকরা জানাচ্ছেন, প্রি-ডায়াবেটিক (রক্তে ঠিক যতটা শর্করা থাকলে ডায়াবেটিক বলা যায়, তার থেকে একটু কম) স্টেজে শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে শরীরে ফ্লুইডের মাত্রার পরিবর্তন হয়। যার ফলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যেতে পারে।

যদি কালো বা বেগুনি ছোপ দেখা যায় ত্বকে, বা কনুই, গোড়ালির মতো জায়গা কালো হয়ে যেতে থাকে তা হলে অবশ্যই আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা বেশ বেশি।

ডায়াবেটিসের প্রভাবে শরীরে রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। যার ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। যার ফলে সারাক্ষণ চুলকানির সমস্যা হতে পারে।

নিয়মিত শরীরচর্চা ও খাদ্যাভাসে সামান্য অদলবদল করলেই রক্তে বাড়তি শর্করা বশে রাখা যায়। দেখে নিন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের কিছু ঘরোয়া টোটকা-

রোজ সকালে দু’টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খান। খালি পেটে খেতে হবে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন তাহলে রক্তে শর্করা বাড়তে পারে না।

এক গ্লাস জলে এক গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে রোজ সকালে খান। ম্যাজিকের মতো কাজ হবে।

আমলার রসে অল্প একটু হলুদ মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টানা এক সপ্তাহ খেয়ে গেলে ফল মিলবে হাতেনাতে।

নিম পাতা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের মোক্ষম দাওয়াই। ভারতীয় আয়ুর্বেদে নিম পাতার বহুমুখী উপকারিতার কথা লেখা আছে।

চোখ, নাক বন্ধ করে হলেও সকালে খালি পেটে এক গ্লাস লাউয়ের রস খেয়ে ফেলুন। টানা খেয়ে যান। এই রস ডিহাইড্রেশনের হাত থেকে যেমন বাঁচায়, তেমনি হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে, শরীরে টক্সিন দূর করে।

 

Shares

Comments are closed.