শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১

বিশ্বভারতীর দখল হওয়া জায়গা ফিরে পেতে অনশনে উপাচার্য

  • 12
  •  
  •  
    12
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বীরভূম: বিশ্বভারতীর দখল হওয়া জায়গা পুনরুদ্ধার করতে অনশনে বসলেন খোদ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। সোমবার সকাল আটটা থেকে শান্তিনিকেতন রোডে কবিগুরু হস্তশিল্প বাজারের পাশে শুরু হল এই অনশন। চলবে রাত আটটা পর্যন্ত। উপাচার্যের সঙ্গেই অনশন মঞ্চে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, কর্মী ও আধিকারিকরা।

শান্তিনিকেতন রোডের উপর বিশ্বভারতীর আশ্রম এলাকায় গড়ে উঠেছে কবিগুরু হস্তশিল্প বাজার। যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে ঝঞ্ঝাট। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢোকার মুখে পৌষ মেলার মাঠ লাগোয়া রাস্তার পাশে সারি দিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ৭০টিরও বেশি দোকানে হস্তশিল্পের পসরা সাজিয়ে বিক্রিবাটা করেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের এই এলাকা ছেড়ে উঠে যাওয়ার জন্য জুন মাসে নোটিস দেয় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সৌন্দর্যায়নের বার্তা নিয়ে তাঁদের এলাকা ছাড়তে বলা হয় ব্যবসায়ীদের। মাইক নিয়ে চলে প্রচার। বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী জানান, ন্যাকের মূল্যায়নে সৌন্দর্যায়নে এ বার শূন্য পেয়েছে বিশ্বভারতী। তাই বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে সমস্ত স্তরে। ক্যাম্পাসে ঢোকার মুখে কবিগুরু মার্কেয় বিশ্বভারতীর সৌন্দর্যহানি করছে। তাই এই বাজারের ব্যবসায়ীদের অন্য সরে যাওয়ার জন্য বলেছে বিকল্প জায়গাও দেওয়া হয়েছে। তাও জায়গা ছাড়তে নারাজ ব্যবসায়ীরা।

বিদ্যুৎবাবু বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে তাঁদের উঠে যাওয়ার আবেদন করছি। তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা চাই যে ওঁদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক, তাই আজ এই ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে বসলাম আমরা।”

এ দিকে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা এই বাজারে জিনিস বিক্রি করে পেট চালাচ্ছেন। আচমকা জায়গা ছাড়তে হলে তাঁরাই বা কোথায় যাবেন? ব্যবসায়ীদের তরফে আমিনুল হুদা বলেন, “এখানে আমরা এত বছর ধরে ব্যবসা করছি। হঠাৎ করে আমাদের উঠে যেতে বললে কোথায় যাব? আমাদের যেখানে দেওয়া হয়েছে বলে বলা হচ্ছে সেখানে তো জল জঙ্গল।”

কবিগুরু মার্কেটের সামনে এ দিন পাল্টা অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছেন তাঁরাও।  এই দুই অবস্থান বিক্ষোভ ঘিরে সকাল থেকেই সরগরম বিশ্বভারতী।

 

Comments are closed.