যত ভয় ছিল তত ক্ষতি হয়নি, স্বস্তি পেল বাংলা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: যতটা আশঙ্কা ছিল ততটা আঘাত হানেনি ফণী। তাই স্বস্তির শ্বাস ফেলল বাংলা।

    ওড়িশাকে তছনছ করে বাংলায় আসার পর তার শক্তি হ্রাস পায় অনেকটাই।  মোটের উপর ৭০ থেকে  ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় আর মাঝারি বৃষ্টিতেই রক্ষা পেল এ রাজ্য।  পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূল নিয়ে চিন্তা গ্রাস করেছিল প্রশাসনকে। দিঘা,মন্দারমণি, শঙ্করপুর, তাজপুর থেকে সরানো হয়েছিল সমস্ত পর্যটককে। সমুদ্র ফুঁসে উঠতে দেখে আতঙ্কেও সৈকত শহর ছেড়েছিলেন অনেকেই। তবে কাল রাতে ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যায়। সঙ্গে মাঝারি বৃষ্টি।

    পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পার্থ ঘোষ জানিয়েছেন, রাত্রি সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী রামনগর-১, ২, কাঁথি-১, ২ ও খেজুরি-১ ও নন্দকুমার এই ছটি ব্লকের ৬৭ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২২ হাজার মানুষকে ৭৫টি ত্রাণ শিবির ও বিভিন্ন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঝড়ের কবলে ভেঙে পড়েছে বেশকিছু মাটির বাড়ি । বহু বাড়ির চালা উড়ে গেছে। বেশকিছু পান বরোজের ক্ষতি হয়েছে। জেলাশাসক বলেন, “৮০ শতাংশ জমির পাকা ধান তুলে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। দিঘা সহ পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে তেমন বড়োসড়ো ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনও নেই। আজ সকাল থেকে আবহাওয়ারও অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। শান্ত হয়েছে সমপদ্রও।”

    পশ্চিম মেদিনীপুরেও মাঝারি ঝড়ের দাপটে ছিল ৩৩৯ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। ১৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩১৩০ জন বাসিন্দাকে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে আসা হয়েছিল আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে। তবে গড়বেতা থানার পিয়াশালায় বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে একজনের। তাঁর নাম ভৈরব শ। যতটা উদ্বেগ ছিল ততটা ক্ষতি হয়নি এ জেলাতেও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More