‘অসমে পাঁচ বাঙালিকে খুন করা হলো কেন মমতা ব্যানার্জী জবাব দাও’ স্লোগান তুললেন তৃণমূল কাউন্সিলর!

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কী মুশকিল আসানসোলে!

হাতে তৃণমূলের ঝাণ্ডা। অসমের তিনসুকিয়ায় পাঁচ বাঙালি খুনের বিরুদ্ধে ‘ধিক্কার’ লেখা প্ল্যাকার্ডে। আর সেই মিছিল থেকেই কিনা স্লোগান উঠল “অসমে পাঁচ বাঙালিকে খুন করা হলো কেন মমতা ব্যানার্জী জবাব দাও।” আর গলার শির ফুলিয়ে সেই স্লোগান তুলছেন কে? না তৃণমূলের কাউন্সিলর।

অভিজিৎ আচার্য। আসানসোল মিউনিসিপ্যালিটির ১০৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অভিজিৎবাবু। জিতেছিলেন কংগ্রেসের টিকিটে। কয়েকদিন আগেই ‘উন্নয়নে’ সামিল হতে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রানী আচার্যও ১০৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। তিনিও ছিলেন কংগ্রেসে। স্বামীর সঙ্গে তিনিও এখন তৃণমূলে। দলনেত্রীর ডাকে শুক্রবার অভিজিৎবাবু মিছিল করেন ডিসেরগড়ে। সেই মিছিলেই একবার ‘মুখ ফস্কে’ বেরিয়ে যায় ওই স্লোগান। আর ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে থাকে তৃণমূলকর্মীদের মধ্যে। প্রথমটায় অনেকেই ভেবেছিলেন, ‘কী আস্পর্ধা! তৃণমূলের ঝাণ্ডা হাতে নিয়ে জবাব চাইছে দিদির!” পরে অবশ্য শাসক দলের নেতারা ঘরোয়া আড্ডায় ঠাট্টার ছলেই বলেন, “নতুন এসেছে তো! এখনও গা থেকে অধীর চৌধুরীদের গন্ধ যায়নি।”

সিপিএম থেকে তৃণমূলে আসার পর ‘চাষার ব্যাটা’ রেজ্জাক মোল্লাকে নিয়েও এই ঘটনা হয়েছিল। ভাঙড়ে তৃণমূলের একটি সভার শুরুতেই রেজ্জাক মোল্লা বলে ওঠেন, “কমরেডস এবং বন্ধুগণ।” হাসির রোল উঠে যায় মাঠে। চাপা দিতে রেজ্জাকসাহেব বলেন, “হাসার কী আছে! কমরেড কি সিপিএমের বাপের সম্পত্তি নাকি! আপনারাও আমার কমরেড। সহযোদ্ধা।” যদিও অভিজিৎবাবু চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেননি। দুঃখপ্রকাশ করে বলেছেন, “যা হয়েছে মুখ ফস্কে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More