পর্যটকরা হুঁশিয়ার, দিঘায় প্লাস্টিক ব্যাগ বা থার্মোকলের থালা ব্যবহার করলে স্পট ফাইন ৫০০ টাকা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদিন বাদেই সপ্তাহান্তে টানা তিন দিনের ছুটি আসছে। শনি, রবি ও তার পর ১২ অগস্ট সোমবার ঈদের ছুটি। দিঘা, শঙ্করপুর, মন্দারমনিতে ভিড় হল বলে।
তার আগে দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের তরফে সাংবাদিক সম্মেলন করে বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দেওয়া হল। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সভাধিপতি দেবব্রত দাস জানান, দিঘায় এ বার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে দেওয়া হল প্লাস্টিকের ব্যবহার। এক, কোনও ব্যবসায়ী বা হোটেল কর্তৃপক্ষ প্লাস্টিকের প্যাকেটে কিছু বিক্রি করতে পারবেন না। দুই, থার্মোকলের থালা, গ্লাসও ব্যবহার করা যাবে না। তিন, দিঘায় বেড়াতে এসে কোনও পর্যটক যদি কোথাও প্লাস্টিকের প্যাকেট বা থার্মোকলের থালা গ্লাস ফেলেন তা হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবং চার, এ সব কাজ করতে গিয়ে যদি কেউ হাতে নাতে ধরা পড়েন তা হলে তখনই তাঁর কাছ থেকে পাঁচশ টাকা জরিমানা নেওয়া হবে।
দিঘা-শঙ্করপুরে পরিবেশ রক্ষা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে ইদানীং বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্যদের চেয়ারম্যান শিশির অধিকারীর কথায়, “প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার এমন ভাবে বেড়ে গিয়েছে যে যত্রতত্র সে গুলো পড়ে থাকছে। নিকাশি নালার মুখ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তা ছাড়া নানাভাবে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। পই পই করে বলেও কোনও লাভ হচ্ছে না। তাই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। ভাল হতো, যদি মানুষ স্বেচ্ছায় পরিবেশের কথা ভেবে এর ব্যবহার বন্ধ করে দিতেন।”


প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার কথা ঘোষণার পর শুক্রবার সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে খোদ জেলা সভাপতি এ দিন দিঘার পর্যটন এলাকাগুলি ঘুরে দেখেন। নিজে মাইক হাতে নিয়ে একের পর এক বাজারে ঘুরে প্রচার করেন। বলেন, আজ থেকে কোনও ব্যবসায়ী যেন প্লাস্টিকের প্যাকেট বা ব্যাগ ব্যবহার না করেন।
তিনি একা নন, উন্নয়ন পর্যদের পক্ষ থেকে গোটা এলাকায় মাইকে প্রচার শুরু হয়েছে।
ইতিমধ্যে দিঘার আনাচে কানাচে জোরদার প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের পক্ষ থেকে মাইক নিয়ে  প্রতিটি এলাকায় প্রচার করা হচ্ছে। পর্যটকরা এলে তাঁদেরও এই বিষয়ে সচেতন করার জন্য ব্যবসায়ী ও হোটেলগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেবব্রতবাবু এ দিন বলেন, “জরিমানা করা আমাদের আসল উদ্দেশ্য নয়। আসল লক্ষ্য হল, দিঘাকে পরিচ্ছন্ন রাখা ও দিঘার পরিবেশ সুস্থ রাখা। হয়তো দেখা যাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পর কদিন বাদে এমনিতেই মানুষের অভ্যাস হয়ে যাবে। দিঘা-শঙ্করপুরের কোনও ব্যবসায়ী প্লাস্টিক-থার্মোকল ব্যবহার করবেন না আর পর্যটকরাও বুঝবেন তাঁদের ঘরের কাছের দিঘাকে সুন্দর রাখতে গেলে তাঁদেরও সচেতন হতে হবে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More