গরু কার, মীমাংসা হল না, ‘লক্ষ্মী’ আপাতত ভাতার থানায়

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

     দ্য ওয়াল ব্যুরো, বর্ধমান : বলগোনা গ্রামের সুনীল থোমের দাবি, তাঁর লক্ষ্মী গাভী। পাটনা গ্রামের বাসিন্দা শেখ আফজলুন হকের পাল্টা দাবি, তাঁর বকনার নাম লক্ষ্মী হতেই পারে না। অনেক বুঝিয়ে সুজিয়ে কাউকেই অবস্থান থেকে সরাতে পারেনি ভাতার থানার পুলিশ। অবশেষে মেডিক্যাল টেস্টের জন্য গরু নিয়ে আসা হল পুলিশ হেফাজতে। সেখানেই এখন বহাল তবিয়তে জাবর কাটছে সে।

    জানা গিয়েছে, কিছু দিন আগে গরু হারিয়ে যায় ভাতারের নিত্যানন্দপুর পঞ্চায়েতের পাটনা গ্রামের বাসিন্দা শেখ আফজলুন হকের। গরু খুঁজতে খুঁজতে তিনি ভাতারের বলগোনা গ্রামে হাজির হন। আফজলুন বলেন, “দেখি, গ্রামের নতুনপাড়ায় রাস্তার ধারে গাছের তলায় দিব্যি দাঁড়িয়ে জাবর কাটছে ও। দেখেই চিনতে পারি ঠিক।” খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করতেই তিনি জানতে পারেন তাঁর গরু এখন নতুন পাড়ার বাসিন্দা সুনীল থোমের বাড়ির গোয়ালে।

    আরও পড়ুন- চার পায়ে ফুটবল: দেখুন গরুর ড্রিবলিং স্কিল

    আফজলুন গরু দাবি করলে সুনীল থোম পাল্টা দাবি করেন, কারও হারিয়ে যাওয়া গরু তিনি নিজের বাড়িতে নিয়ে যাননি। “যে গরুর কথা আফজলুন বলছে সেটি আমাদের পোষা আদরের গরু। ওর নাম লক্ষ্মী। ছ’বছর ধরে লক্ষ্মী আমাদের পোষ্য।”

    এরপর গরুর মালিকানা দাবি করে দু’পক্ষই ভাতার থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন।

    তদন্তে নেমে ভাতার থানার এক পুলিশ অফিসার বলগোনা গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে তিনিও গরুর মালিকানা নিয়ে বিরোধের মীমাংসা করতে ব্যর্থ হন। শেষে থানার বড়বাবুর নির্দেশে সোমবার সকালে পোষ্যকে সটান হাজির করানো হয় ভাতার থানায়।  উভয়পক্ষই সেখানে নানান চিহ্ন দেখিয়ে দাবি করেন গরু তাঁর। কার দাবি সত্য তা নির্ধারণে দুই দাবিদারই মেডিকেল টেস্ট করানোর দাবি জানান। সহমত হয় পুলিশও।

    মেডিকেল টেস্টের দিন নির্ধারণ না হওয়ায় আপাতত গোয়ালঘর ছেড়ে ভাতার থানার উঠোনেই ঠাঁই হয়েছে এই পোষ্যর। খড় বিচুলি জোগাচ্ছে পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More