ভাইফোঁটা দিতে আসা নিয়ে বিবাদ, বধূকে পুড়িয়ে মারার নালিশ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান : ভাইফোঁটায় বাপের বাড়ি আসতে চেয়েছিলেন। বাধ সেধেছিলেন শ্বশুরবাড়ির লোক। তাই নিয়ে বিবাদ। তারই জেরে বধূকে তেল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠল স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে। বুধবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে কেতুগ্রামে। মৃতার নাম পূর্ণিমা দাস(২০)। বৃহস্পতিবার সকালে কাটোয়া হাসপাতালে মারা যান পূর্ণিমা। ঘটনার পর থেকেই পলাতক স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

    তিন বছর আগে মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানার আলো গ্রামের পূর্ণিমার সঙ্গে বিয়ে হয় কেতুগ্রামের বিশ্বনাথ দাসের। বিশ্বনাথ টোটোচালক।  একটি এক বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে ওই দম্পতির। পূর্ণিমার বাড়ির লোকের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই নিত্যদিন অশান্তি হত শ্বশুরবাড়ির লোকেদের সঙ্গে। এমনকি বাপের বাড়িতেও আসতে দেওয়া হত না পূর্ণিমাকে। ভাইফোঁটা দিতেও পূর্ণিমাকে বাপের বাড়ি আসতে দেয়নি তার স্বামী ও শ্বশুর শাশুড়ি। তা নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধে থেকেই বিবাদ শুরু হয়। অভিযোগ, এরপরেই পরিকল্পনা করে তাঁর গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দাউ দাউ করে ঘর জ্বলতে দেখে মেয়ে ও বাবা মাকে নিয়ে চম্পট দেয় পূর্ণিমার স্বামী।

    পূর্ণিমার এক আত্মীয়া শ্রাবণী দাস বলেন, ‘‘হাসপাতালের বেডে শুয়ে পূর্ণিমা বলেছে স্বামী ও শ্বশুর শাশুড়ি তাঁর গায়ে তেল ঢেলে আগুন ধরায়।’’ পূর্ণিমার দাদা সুজন দাস বলেন, ফোঁটা দিতে আসতে চেয়েছিল। তারজন্য যে বোনকে এইভাবে হারাতে হবে ভাবতে পারছি ‌না।’’

    শুক্রবার কেতুগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মৃত পূর্ণিমার পরিবার। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।

     

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More