শনিবার, অক্টোবর ১৯

ডায়মন্ডহারবারে জাতীয় সড়ক ধসে তলিয়ে গেল হুগলি নদীতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা:  বৃহস্পতিবার সকালে ১১৭ নং জাতীয় সড়কে ধস নেমে রাস্তার একাংশ তলিয়ে গেল হুগলি নদীতে। এর ফলে পুরোপুরি থমকে গেছে কাকদ্বীপ-নামখানা-ডায়মন্ডহারবার রুটের যান চলাচল। আচমকা নদীর গ্রাসে রাস্তা চলে যাওয়ায় রীতিমতো আতঙ্কিত ডায়মন্ডহারবারের বাসিন্দারা।

জানা গিয়েছে, ডায়মন্ডহারবারে হুগলি নদীর ধারের সৌন্দর্যায়নের কাজ শুরু হয়েছিলো কয়েক মাস আগে।  প্রথমে প্রায় ১২০ মিটার এলাকায় এই কাজ শুরু হয়। আজ সকালে হঠাৎই নদীর পাড় সংলগ্ন ১১৭ নং জাতীয় সড়কের ৫০ মিটার রাস্তায় ধস নেমে নদী গর্ভে চলে যায়। দুর্ঘটনার ফলে কোনও প্রাণহানি না ঘটলেও বড় বিপদের সম্মুখিন হতে পারেন ডায়মন্ডহারবারের মানুষ। জানা গিয়েছে, ভাটার সময় রাস্তা বসে নদী গর্ভে চলে যায়।

কলকাতা থেকে নামখানা, বকখালি, কাকদ্বীপ, সাগরে যাওয়ার প্রধান রাস্তা এই ১১৭ নং জাতীয় সড়ক। আর এই রাস্তা ধসে নদীতে চলে যাওয়ায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে সড়ক পরিবহণ। সকালবেলা  খবর শুনেই ঘটনাস্থলে পৌঁছোন  বিধায়ক দীপক হালদার এবং মহকুমা শাসক সুকান্ত সাহা।

 

দীপকবাবু বলেন, এই এলাকায় নদী পাড়ের সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছিল।  সকালে জোয়ার এসেছিল। ভাটা শুরু হতেই জাতীয় সড়কের প্রায় ৫০ মিটার অংশ ভেঙে হুড়মুড় করে নদীতে তলিয়ে যায়। তার ফলে যান চলাচল এখন সম্পূর্ণ বন্ধ। কবে এই অবস্থা স্বাভাবিক হবে তাও, তিনি জানাতে পারেননি।

মহকুমা শাসক সুকান্ত সাহা বলেন, আপাতত ধর্মতলা থেকে গাড়িগুলি শিরাকোল-উস্তি- হটুগঞ্জ হয়ে কাকদ্বীপ, নামখানা যাবে। পূর্ত দফতর, পর্যটন দফতর ও সেচ দফতরের কর্তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্তে আসবেন তাঁরা।

উইক এন্ডে যারা সাগর, নামখানা, বা ডায়মন্ডহারবারে বেড়াতে যান, রাস্তা ভাঙায় এ বার মুশকিলে পড়বেন তাঁরাও।

Comments are closed.