ইটাহারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর: ইটাহারে গুলি করে খুন করা হল জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা বিকাশ তথা মাধু মজুমদারকে। রাতে বিশেষ কাজে ইটাহার থানায় গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে ফেরার পথেই গুলি করা হয় তাঁকে। ঘটনায় বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।

    গতকাল রাতের ঘটনার পর বিকাশ মজুমদারের মরদেহ নিয়ে শনিবার সকাল থেকেই ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় তৃণমূল সমর্থকেরা। বিক্ষোভ শুরু হয় ইটাহারের চৌরাস্তাতেও। চৌরাস্তায় উল্কা ক্লাবের সামনে মরদেহ দাঁড় করিয়ে মালা দেন গ্রামবাসীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন জেলা তৃণমূল সভাপতি অমল আচার্য। পুলিশও পৌঁছয় তার কিছুক্ষণ পরেই। পুলিশ দোষীদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে আধ ঘণ্টা পরেই অবরোধ তুলে নেন স্থানীয় তৃণমূল সমর্থকেরা।

    এলাকার বাসিন্দা রতন দাসের কথায়, শুক্রবার গোটা এলাকায় লোডশেডিং ছিল।  বৃষ্টির কারণে রাস্তাঘাট সন্ধের পরই অনেক ফাঁকা হয়ে যায়। রাত ৯টা নাগাদ বিকট একটা শব্দে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে তাঁরা দেখেন রাস্তার উপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন বিকাশবাবু। আর একটা সাদা গাড়ি খুব দ্রুত গতি বাড়িয়ে তাঁদের সামনে দিয়েই বেরিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তখনই তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ইটাহার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান স্থানীয়েরাই। পরে সেখান থেকে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখানেই বিকাশবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা ।

    বিকাশ ওরফে মাধুবাবুর এলাকার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। জনপ্রিয় সমাজকর্মী হিসেবেও তাঁকে চেনেন এলাকার সকলে। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলে মেয়ে রয়েছে। স্থানীয়েরা জানিছেন, মাধুবাবুর মৃত্যুতে গোটা এলাকাতেই নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এলাকা যছেষ্ট থমথমে।

    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান রাজনৈতিক কারণেই খুন করা হয়েছে বিকাশবাবুকে। ইটাহারের বিধায়ক অমল আচার্য ঘটনায় বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছেন। পাশাপাশি, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। অন্যদিকে, বিজেপি জেলা সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তী বলেছেন, ‘‘তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় দলের গোষ্ঠী কোন্দলই দায়ি।’’

     

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More