হিন্দোল ভট্টাচার্য

তোমাকে দেখেছি আমি, তাই তুমি-তুমি করি, ধুলো-মাটি খেলা

এ জীবন বারংবার ট্রামে করে চলে যাওয়া পাহাড়তলীতে

নোনা মেয়েদের মুখ যেখানে কুড়িয়ে নেয় সাদা সাদা ফুল

হয়তো গান্ধর্ব মতে বিয়ে করবে বলে;

শুনেছি সমস্ত বিষ ঝরে যায় তখন শরীর

নিজ হাত রাখে নিজ কপালে আদর করে তৃতীয় নয়ন

ফুলে ওঠে রুটি, খিদে

আর কী আশ্চর্য ঘ্রাণ চাঁদের জোয়ার লাগে মনে

টিকিট কোথাও নেই আহ কী তরুণী দুধ বলক বলক

সর লেগে আছে ঠোঁটে করুণ পশুপালক সুরের কী দাহ

পাগল বাতাসে জানে সেই গন্ধ আছে যার ডুবুডুবু নদী

স্নানের ইচ্ছের মতো স্রোত বহমান যার নুড়ি ও পাথরে

তোমাকে দেখেছি মাটি মেখে নিচ্ছ নগ্ন অপরাধে

কত পক্ষ হলো বলো ধরে বসে আছি এই হাওয়া ভেজা পাল

আমার বয়স হলো, এখন কি মেঘের নীচে একঝাঁক সাদা

বকের উড়ে যাওয়ায় হবো পরমহংস আমি? সমাধির পাশে

শিকারী বল্লম পড়ে থাকে, তার মুখে ভেজা রক্ত লেগে আছে।

এই ধুলো-মাটি খেলা, হেরে যাওয়া আমাদের শোয়ানো শরীরে

খিদের নিষিদ্ধ মুখ লিখে রাখছে মধুর বাগানে।

তোমাকে দেখেছি আমি ওই পথে, পাহাড়তলীতে।

চিত্রকর: বিপ্লব মণ্ডল