করোনা-মহামারী ও তার জেরে দীর্ঘ লকডাউন আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার উপর বড় আঘাত হেনেছে। ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে আমাদের সকলের, বিশেষ করে প্রান্তিক মানুষগুলোর। আরও চিন্তার বিষয়, এর অভিঘাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের উপর। কারণ এই সময়ে যাঁরা মা হতে চলেছেন, বা যাঁরা সদ্য মা হয়েছেন, তাঁরা ঠিকমতো পুষ্টি না পেলে, তাঁদের সন্তানরাও তা পাবে না। সেই অপুষ্টির জের থাকতে পারে তাদের জীবনভর। অথচ হবু মা বা সদ্য মায়েদের কথা আলাদা করে কমই ভাবা হচ্ছে।

এই বিশেষ ভাবনা থেকেই প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘চাইল্ড ইন নিড ইনস্টিটিউট’ তথা ‘সিনি’-র (CINI) সঙ্গে হাত মিলিয়েছে 'দ্য ওয়াল' । কারণ সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের প্রতিনিয়ত সুখ দুঃখের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা প্রতিষ্ঠান হিসাবে দ্য ওয়ালেরও দায়বদ্ধতা রয়েছে। আমরা তাই যৌথ ভাবে চেষ্টা করছি কিছু অর্থ সংগ্রহের। যাতে সিনি-র মাধ্যমে তা পৌঁছে যায় হবু মা ও নতুন মায়েদের কাছে।

‘মায়েদের পাশে থাকুন, আগামীকে ভাল রাখুন’—প্রয়াসের আওতায় দায়িত্ব নেওয়া হবে দুঃস্থ পরিবারের কোনও মা এবং তাঁর সন্তানের। হবু মায়েরাও থাকবেন এই তালিকায়। মায়ের ন'মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থা এবং সন্তানকে জন্ম দেওয়ার পর তাঁর নিজের ও তাঁর সন্তানের দু’বছর পর্যন্ত যাতে পুষ্টির অভাব না হয়, তা দেখবে সিনি। সিনি বিশ্বাস করে, শিশুর পরিপূর্ণ যত্ন নেওয়া তখনই সম্ভব, যখন তাঁর মায়ের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও যথাযথ পুষ্টি দেওয়া হয়। সন্তানের জন্মের পর সে যখন মায়ের বুকের দুধের উপর নির্ভরশীল, তখনও মায়ের শারীরিক পুষ্টি বিশেষ ভাবে জরুরি।

দ্য ওয়াল ও সিনির তাই আবেদন
"আপনিও এগিয়ে আসুন সামর্থ্য অনুযায়ী। আপনার অনুদানের পরিমাণ কম হোক বা বেশি, অংশীদারিত্বই বড় কথা। আপনার এই অনুদান কোনও এক প্রত্যন্তের দুঃস্থ পরিবারের হবু মা ও তাঁর সন্তানের পুষ্টি সুনিশ্চিত করবে। পুষ্টি নিশ্চিত করা যাবে সেই মায়েরও, যিনি নিজের বুকের দুধ খাইয়ে পুষ্ট করছেন তাঁর শিশুকে।"

৫০, ১০০, ৫০০ বা ১০০০ টাকা বা সামর্থ্য থাকলে তার বেশিও অনুদান দিতে পারেন। আপনি ও আপনার পরিবার, পরিজন ভাল থাকুন। আর পরবর্তী প্রজন্মকে ভাল রাখার জন্য হাত বাড়িয়ে দিন।

নমস্কার।

Share this :

Facebook Twitter Twitter